পরিবেশ রক্ষায় তরুণরাই সবচেয়ে বড় শক্তি : সিসিক প্রশাসক

পরিবেশ রক্ষায় তরুণরাই সবচেয়ে বড় শক্তি এবং তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি টেকসই ও বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।  শনিবার (১৬ মে) বিকেলে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সিলেট পরিবেশ সম্মেলন-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে আমাদের সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি তরুণ সমাজকে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে পরিবেশ সংরক্ষণ শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয় এটি টিকে থাকার লড়াই। নগরায়ণ, অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ দূষণের কারণে আমাদের প্রাকৃতিক ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা এখনও পরিবেশ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন নই। নিজেরাই আমাদের প্রাণের সুরমা

পরিবেশ রক্ষায় তরুণরাই সবচেয়ে বড় শক্তি : সিসিক প্রশাসক

পরিবেশ রক্ষায় তরুণরাই সবচেয়ে বড় শক্তি এবং তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি টেকসই ও বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। 

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সিলেট পরিবেশ সম্মেলন-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে আমাদের সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি তরুণ সমাজকে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে পরিবেশ সংরক্ষণ শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয় এটি টিকে থাকার লড়াই। নগরায়ণ, অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ দূষণের কারণে আমাদের প্রাকৃতিক ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখনও পরিবেশ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন নই। নিজেরাই আমাদের প্রাণের সুরমা নদীর তলদেশ পলিথিন ও বর্জ্যে ভরিয়ে ফেলছি। এভাবে পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে একদিন আমাদের সমাজই বাসযোগ্যতা হারাবে। তাই একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে এখনই সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ ক্লাব ও পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারের পরিবেশ সম্মেলনে সিলেটের প্রথম ‘বিভাগীয় পরিবেশ অলিম্পিয়াড’-সহ মোট ছয়টি একাডেমিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা প্রফেসর ড. জসীম উদ্দিন এবং প্রফেসর ড. ওমর শরীফ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow