পরীক্ষা বন্ধ করে ব্যবসায়ী সমিতির ভোট, ফিরে গেল শিক্ষার্থীরা
ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা। আগের রাতে অনলাইনে ও বিদ্যালয়ের গেটে নোটিশ দিয়ে স্থগিত করা হয় পরীক্ষা। স্বল্পসংখ্যক অভিভাবক পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়ে জানলেও বেশিরভাগ তা জানেননি। শনিবার (৯ মে) পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে গেলে ভোট থাকায় ফিরে আসতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। জানা যায়, ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনের নির্ধারিত দিন ছিল শনিবার। ওই দিন সেন্ট্রাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা বন্ধ করে সেখানে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে স্থগিত হওয়া পরীক্ষা কখন অনুষ্ঠিত হবে তাও জানায়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রমজানে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শনিবার বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেয় সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় এদিন জেলার ৫৩৪ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে একটি বাদে সব বিদ্যালয়ে গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহানা আমিন জানান, সকাল ১০টা থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৪শর বেশি শিক্ষার্থী পরীক্ষার্থী গণিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিলো। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্
ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা। আগের রাতে অনলাইনে ও বিদ্যালয়ের গেটে নোটিশ দিয়ে স্থগিত করা হয় পরীক্ষা। স্বল্পসংখ্যক অভিভাবক পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়ে জানলেও বেশিরভাগ তা জানেননি।
শনিবার (৯ মে) পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে গেলে ভোট থাকায় ফিরে আসতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের।
জানা যায়, ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনের নির্ধারিত দিন ছিল শনিবার। ওই দিন সেন্ট্রাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা বন্ধ করে সেখানে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে স্থগিত হওয়া পরীক্ষা কখন অনুষ্ঠিত হবে তাও জানায়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রমজানে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শনিবার বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেয় সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় এদিন জেলার ৫৩৪ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে একটি বাদে সব বিদ্যালয়ে গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহানা আমিন জানান, সকাল ১০টা থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৪শর বেশি শিক্ষার্থী পরীক্ষার্থী গণিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিলো। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
তিনি আরও জানান, হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়েছে। ছোট হওয়ার কারণে অনলাইনে প্রচার হলেও কাজে আসেনি।
একই ক্যাম্পাসে থাকা ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, শনিবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় নির্বাচনের ভেন্যুর জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। প্রাথমিকের পরীক্ষা হঠাৎ বন্ধ হওয়া নিয়ে তিনি বলেন, সত্যি বলতে এটি দুঃখজনক।
সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খালেদা পরাভিন ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম হাজারীর মোবাইলে একাধিকার কল দিলেও তারা রিসিভ করেননি।
প্রসঙ্গত, ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির এডহক কমিটির আহ্বায়ক ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার আলাল উদ্দিন আলাল ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব। কমিটিতে আছেন সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুর রহিম। নির্বাচনে দুটি প্যানেলের মধ্যে একটিতে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন মিষ্টার, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফারুক হারুন।
এ প্যানেলে সহ-সভাপতি প্রার্থী আবদুর রহিম জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি। অন্য প্যানেলে সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন জিয়া উদ্দিন মিষ্টার এর ছোট ভাই নাছির উদ্দিন মিলন, সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করছেন ফেনী পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুশফিকুর রহমান পিপুল। এছাড়া এডহক কমিটির আহ্বায়ক আলাল এবং দুই প্যানেলের সভাপতি ও সম্পাদক মিষ্টার-হারুন আর মিলন-পিপুল। এরা সবাই কেউ কারো আপন অথবা চাচাতো ভাই।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২৭টি পদের বিপরীতে মোট ৫৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে দুইটি প্যানেলে ২৭ জন করে ৫৪ জন এবং স্বতন্ত্র ২ জনের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়।
পরে তিনজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন মোট ৫৩ জন প্রার্থী।
ভোটকেন্দ্রে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য অবস্থান করছেন। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে কেন্দ্রে প্রবেশের সময় ভোটারদের ভোটার আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হচ্ছে। ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুল কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
What's Your Reaction?