পর্নোগ্রাফি মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
কক্সবাজারের উখিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর দায়ের করা পর্নোগ্রাফি মামলায় জামায়াতের এক নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (উখিয়া) আদালতের বিচারক এস এম গিয়াস উদ্দিন এ আদেশ দেন। অভিযুক্ত সাইদুল আরেফিন মিরাজ (২৮) উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি নুরুল আলমের ছেলে এবং জামায়াত ইসলামীর ওয়ার্ড শাখার অর্থ সম্পাদক। আদালতে সূত্রে জানা যায়, রাজাপালং ইউনিয়নের প্রবাসীর স্ত্রী তার প্রথম স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় পিতার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সুযোগে জামায়াত নেতা মিরাজ প্রেমে জড়িয়ে তাকে প্রতারণামূলকভাবে বিয়ে করেন। তার সাথে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। একপর্যায়ে আপত্তিকর ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেন। ভুক্তভোগী মহিলা বলেন, সে আমাকে মিথ্যা প্রলোভনে কক্সবাজারের একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখেছিল। প্রতারণা করে সে স্বর্ণ ও নগদ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আমি ন্যায় বিচার চাই। ভুক্তভোগী নারীর মামলার প্রেক্ষিতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (উখিয়া) আদালতের বিচারক এস এম গিয়াস উদ্দিন পর্নোগ্রা
কক্সবাজারের উখিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর দায়ের করা পর্নোগ্রাফি মামলায় জামায়াতের এক নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (উখিয়া) আদালতের বিচারক এস এম গিয়াস উদ্দিন এ আদেশ দেন।
অভিযুক্ত সাইদুল আরেফিন মিরাজ (২৮) উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি নুরুল আলমের ছেলে এবং জামায়াত ইসলামীর ওয়ার্ড শাখার অর্থ সম্পাদক।
আদালতে সূত্রে জানা যায়, রাজাপালং ইউনিয়নের প্রবাসীর স্ত্রী তার প্রথম স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় পিতার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সুযোগে জামায়াত নেতা মিরাজ প্রেমে জড়িয়ে তাকে প্রতারণামূলকভাবে বিয়ে করেন। তার সাথে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। একপর্যায়ে আপত্তিকর ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেন।
ভুক্তভোগী মহিলা বলেন, সে আমাকে মিথ্যা প্রলোভনে কক্সবাজারের একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখেছিল। প্রতারণা করে সে স্বর্ণ ও নগদ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আমি ন্যায় বিচার চাই।
ভুক্তভোগী নারীর মামলার প্রেক্ষিতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (উখিয়া) আদালতের বিচারক এস এম গিয়াস উদ্দিন পর্নোগ্রাফি আইন, ২০১২ এর ৮ (১) (২) ধারায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক তদন্তে ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। আরও যাচাইবাছাইয়ের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
What's Your Reaction?