পশ্চিমবঙ্গে বুথফেরত সমীক্ষা, বিজেপি-তৃণমূলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের বুথফেরত সমীক্ষা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল, তবে প্রায় সব ক্ষেত্রেই ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলছে। ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৪৮টি আসন। ২০২১ সালের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এবারের বুথফেরত সমীক্ষাগুলোতে চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। একাধিক সমীক্ষা সংস্থা যেমন ম্যাট্রিজ়, চাণক্য স্ট্র্যাটেজি, পি-মার্ক ও প্রজা পোল তাদের পূর্বাভাসে বিজেপিকে এগিয়ে রেখেছে। এসব সমীক্ষায় বিজেপি ১৪৬ থেকে ২০৮টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে। কিছু সমীক্ষায় তারা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসকে বিভিন্ন সমীক্ষায় ৮৫ থেকে ১৪০টি আসনের মধ্যে দেখানো হয়েছে। কিছু সংস্থা আবার তৃণমূলকে এগিয়ে রেখেছে। যেমন পিপলস পালস ও জনমত পোলস-এর সমীক্ষায় বলা হয়েছে, তৃণমূল ১৭৮ থেকে ২০৫টি আসন পেয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে। বাম ও কংগ্রেসের অবস্থান প্রায় সব সমীক্ষা
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের বুথফেরত সমীক্ষা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল, তবে প্রায় সব ক্ষেত্রেই ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলছে।
২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৪৮টি আসন। ২০২১ সালের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এবারের বুথফেরত সমীক্ষাগুলোতে চিত্র অনেকটাই ভিন্ন।
একাধিক সমীক্ষা সংস্থা যেমন ম্যাট্রিজ়, চাণক্য স্ট্র্যাটেজি, পি-মার্ক ও প্রজা পোল তাদের পূর্বাভাসে বিজেপিকে এগিয়ে রেখেছে। এসব সমীক্ষায় বিজেপি ১৪৬ থেকে ২০৮টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে। কিছু সমীক্ষায় তারা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসকে বিভিন্ন সমীক্ষায় ৮৫ থেকে ১৪০টি আসনের মধ্যে দেখানো হয়েছে। কিছু সংস্থা আবার তৃণমূলকে এগিয়ে রেখেছে। যেমন পিপলস পালস ও জনমত পোলস-এর সমীক্ষায় বলা হয়েছে, তৃণমূল ১৭৮ থেকে ২০৫টি আসন পেয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে।
বাম ও কংগ্রেসের অবস্থান প্রায় সব সমীক্ষাতেই দুর্বল দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ পূর্বাভাসে তাদের আসন সংখ্যা খুব কম বা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি।
বিশ্লেষকদের মতে, এত ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল প্রমাণ করছে যে পশ্চিমবঙ্গের ভোটে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হয়েছে। কেউই নিশ্চিতভাবে এগিয়ে নেই, বরং ভোটের ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনের দুটি দফায় ইতোমধ্যে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোটের হারও আগের তুলনায় বেশি হয়েছে বলে জানা গেছে। আগামী ৪ মে ভোট গণনার পরই চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, বুথফেরত সমীক্ষা সবসময় সঠিক হয় না। অতীতেও বহু ক্ষেত্রে এর বিপরীত ফল দেখা গেছে। তাই চূড়ান্ত ফল না আসা পর্যন্ত অপেক্ষাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র- আনন্দবাজার ।
What's Your Reaction?