হাসপাতালের কূপ থেকে কঙ্কাল উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য
পাবনা জেনারেল হাসপাতাল চত্বরে একটি কূপ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ) হাসপাতালের ভেতরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলাকালে শ্রমিকরা ম্যানহোলের ভেতরে সন্দেহজনক কিছু দেখতে পেয়ে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানায়। পরে খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ম্যানহোল খুলে ভেতর থেকে একটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করে। তাৎক্ষণিকভাবে কঙ্কালটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাসপাতালের নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাজের অংশ হিসেবে গণপূর্ত বিভাগের পরিচ্ছন্নকর্মীরা কাজ করছিলো। ঝোপঝাড় কেটে ড্রেনগুলো পরিষ্কার করতে গিয়ে হাসপাতালের উত্তর দিকে রান্নাঘরের পাশে অবস্থিত সেফটি ট্যাংকের পাশের একটি পরিত্যক্ত কূপে নজর পড়তেই সেখানে পঁচা মানবদেহ সহ কঙ্কাল দেখতে পান। পরে সেটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা পুলিশে খবর দেন।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ওই কূপটি পরিত্যক্ত হওয়ায় সাধারণত ওটি খোলা হয় না বা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নের কাজ হয় না বলেই আমরা জানি। ওটির কাছে সেভাবে কেউ
পাবনা জেনারেল হাসপাতাল চত্বরে একটি কূপ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ) হাসপাতালের ভেতরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলাকালে শ্রমিকরা ম্যানহোলের ভেতরে সন্দেহজনক কিছু দেখতে পেয়ে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানায়। পরে খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ম্যানহোল খুলে ভেতর থেকে একটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করে। তাৎক্ষণিকভাবে কঙ্কালটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাসপাতালের নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাজের অংশ হিসেবে গণপূর্ত বিভাগের পরিচ্ছন্নকর্মীরা কাজ করছিলো। ঝোপঝাড় কেটে ড্রেনগুলো পরিষ্কার করতে গিয়ে হাসপাতালের উত্তর দিকে রান্নাঘরের পাশে অবস্থিত সেফটি ট্যাংকের পাশের একটি পরিত্যক্ত কূপে নজর পড়তেই সেখানে পঁচা মানবদেহ সহ কঙ্কাল দেখতে পান। পরে সেটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা পুলিশে খবর দেন।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ওই কূপটি পরিত্যক্ত হওয়ায় সাধারণত ওটি খোলা হয় না বা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নের কাজ হয় না বলেই আমরা জানি। ওটির কাছে সেভাবে কেউ যায়ও না। ফলে এই কঙ্কালের বিষয়ে হাসপাতালের কোনো ধারণা নেই। পুলিশকে জানানো হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে।
পাবনা সদর থানার ওসি (অপারেশন) সঞ্জয় কুমার সাহা জানান, কঙ্কালটি উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। এবিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হচ্ছে।
তিনি বলেন, কঙ্কালটি অনেক আগের বলে মনে হয়েছে। এবিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পুলিশের কাছে নেই। এটি চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্র্যাকটিসের অব্যবহৃত কঙ্কাল হতে পারে। আবার কেউ কখনো ম্যানহলটিতে পড়ে গিয়েও থাকতে পারে। যেটি হয়তো পরে কঙ্কালে রুপ নিয়েছে।
ওসি বলেন, এটি পুরুষ নাকি নারী, বয়স কত বা কতদিন আগে মৃত্যু হয়েছে এসব কোনোকিছুই এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কঙ্কালের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য সিআইডির কাছে দেয়া হবে। এছাড়া ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এর আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানানো সম্ভব হচ্ছে না।