পশ্চিমবঙ্গে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজন
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ১২ বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের পর ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার (০৪ জুলাই) বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি ওই শিশুটি। পরে রোববার সকালে তার মরদেহ একটি পুকুরের পাশে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। খবর ইন্ডিয়া টুডের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিশুটিকে চার ব্যক্তি জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়েছিল। পরিবার দাবি করে, সারারাত খোঁজাখুঁজি করেও তারা পুলিশের কোনো সহায়তা পায়নি। মরদেহ উদ্ধারের পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিশুটির এলাকাবাসী। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা এক সন্দেহভাজনকে আটক করে।
এরপরই ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা ও পরিবারের সদস্যরা তাকে মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা বিক্ষোভ করে সড়ক অবরোধ ও টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানায়।
পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ অভিযা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ১২ বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের পর ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার (০৪ জুলাই) বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি ওই শিশুটি। পরে রোববার সকালে তার মরদেহ একটি পুকুরের পাশে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। খবর ইন্ডিয়া টুডের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিশুটিকে চার ব্যক্তি জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়েছিল। পরিবার দাবি করে, সারারাত খোঁজাখুঁজি করেও তারা পুলিশের কোনো সহায়তা পায়নি। মরদেহ উদ্ধারের পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিশুটির এলাকাবাসী। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা এক সন্দেহভাজনকে আটক করে।
এরপরই ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা ও পরিবারের সদস্যরা তাকে মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা বিক্ষোভ করে সড়ক অবরোধ ও টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানায়।
পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ অভিযান শুরু করে এবং শান্তনু মণ্ডল নামক একজন স্থানীয় বিজেপি কর্মীকে আটক করে। এছাড়া শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভারতের প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের আইজি কঙ্করপ্রসাদ বারুই জানিয়েছেন, বিক্ষুব্ধ জনতা কর্তৃক পিটুনিতে নিহত ব্যক্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং পুরো ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে এবং কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে পুলিশের আশ্বাসের পর স্থানীয়রা অবরোধ তুলে নেয় এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।