পাংশায় পূর্ব শত্রুতার জেরে তিনজনকে কুপিয়ে জখম
রাজবাড়ীর পাংশায় পূর্ব শত্রুতার জেরে তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের গোপালপুর বাজার এলাকায় পাকা রাস্তার উপর এই ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পাংশা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আহতরা হলেন- কলিমহর ইউনিয়নের মাশালিয়া এলাকার আকবর আলী শেখের ছেলে আব্দুস সালাম শেখ (৫০), আলাউদ্দিন শেখ (৪২) এবং লাহিড়ী রঘুনাথপুর এলাকার আহাম্মদ আলী সরদারের ছেলে আক্কাস সরদার (৪৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিপক্ষের সঙ্গে ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন রাত ৯টার দিকে তারাবী নামাজ শেষে আব্দুস সালাম শেখ মসজিদ থেকে বের হয়ে পাকা রাস্তায় এলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। অভিযোগ রয়েছে, কলিমহর ইউপির লাহিড়ী রঘুনাথপুর গ্রামের সানার উদ্দিনের ছেলে মতিউর রহমান (৩৫) ও আল আমিন (৩০), মৃত এনসের খার ছেলে সানার উদ্দিন (৫২), আতাই খার ছেলে মালেক খা (৪২), সোলেমান খার ছেলে মো. জিকুল খা (৪০) ও আ
রাজবাড়ীর পাংশায় পূর্ব শত্রুতার জেরে তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের গোপালপুর বাজার এলাকায় পাকা রাস্তার উপর এই ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পাংশা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- কলিমহর ইউনিয়নের মাশালিয়া এলাকার আকবর আলী শেখের ছেলে আব্দুস সালাম শেখ (৫০), আলাউদ্দিন শেখ (৪২) এবং লাহিড়ী রঘুনাথপুর এলাকার আহাম্মদ আলী সরদারের ছেলে আক্কাস সরদার (৪৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিপক্ষের সঙ্গে ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন রাত ৯টার দিকে তারাবী নামাজ শেষে আব্দুস সালাম শেখ মসজিদ থেকে বের হয়ে পাকা রাস্তায় এলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, কলিমহর ইউপির লাহিড়ী রঘুনাথপুর গ্রামের সানার উদ্দিনের ছেলে মতিউর রহমান (৩৫) ও আল আমিন (৩০), মৃত এনসের খার ছেলে সানার উদ্দিন (৫২), আতাই খার ছেলে মালেক খা (৪২), সোলেমান খার ছেলে মো. জিকুল খা (৪০) ও আকুল খা (৩৬), লুৎফর খার ছেলে জাহিদ খা (৩৮) এবং বারেক খার ছেলে টুটুল খা (৩৩)সহ আরও ৯-১০ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলায় অংশ নেয়। তারা আব্দুস সালাম শেখকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও কিল-ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে।
এ সময় তার ডাকচিৎকারে আলাউদ্দিন শেখ ও আক্কাস সরদার এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরও মারধর করে আহত করে।
পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় বেশি বাড়াবাড়ি করলে খুন-জখম করার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
পরবর্তীতে আব্দুস সালাম শেখ ও আলাউদ্দিন শেখের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে আব্দুস সালাম শেখ ও আলাউদ্দিন শেখ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং আক্কাস সরদার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় আহত আব্দুস সালাম শেখের ছেলে রাজু আহমেদ বলেন, “আক্রমণকারীদের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছিল। তারা আওয়ামী লীগ করে, আর আমরা বিএনপি করি। এ কারণে আমাদের ওপর তাদের ক্ষোভ ছিল। সেই বিরোধের জেরেই আমার বাবার ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার চাই।”
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সঙ্গে সরাসরি ও মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং-০২, তারিখ- ০১-০৩-২০২৬। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?