পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ে রেকর্ড গড়লেন শান্ত
পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। দেশের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ের ইতিহাস গড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দল। মঙ্গলবার (১২ মে) শেষ হওয়া টাকা টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির পাশাপাশি ফিফটি করে ম্যাচ সেরা হন অধিনায়ক শান্ত। অধিনায়ক হিসেবে সবশেষ ১৭ টেস্টের মধ্যে ৭টিতে জয়ের রেকর্ড গড়েন শান্ত। এই রেকর্ড গড়ার পথে শান্ত ছাড়িয়ে যান সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে। সবচেয়ে কম ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ সাতটি টেস্ট ম্যাচ জেতান শান্ত। মিরপুর টেস্ট শেষ হওয়ার আগে অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি সফল ছিলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে মোট সাতটি ম্যাচ জিতিয়েছেন তিনি। এবার পাকিস্তানকে হারিয়ে অধিনায়ক হিসেবে শান্তও জিতলেন সপ্তম টেস্ট। তবে মুশফিকের চেয়ে অর্ধেক ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েই এই সাতটি ম্যাচ জিতিয়েছেন শান্ত। মুশফিক বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মোট ৩৪টি ম্যাচে। যেখানে সাতটি জয় ও নয়টি ড্রয়ের বিপরীতে আছে ১৮টি হার। এদিকে শান্ত বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মোটে ১৭টি ম্যাচে। এর মধ্যে জিতেছেন সাতটি, ড্র হয়েছে একটি। বাকি নয়টি ম্যাচ তার নেতৃত্ব
পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। দেশের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ের ইতিহাস গড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দল।
মঙ্গলবার (১২ মে) শেষ হওয়া টাকা টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির পাশাপাশি ফিফটি করে ম্যাচ সেরা হন অধিনায়ক শান্ত।
অধিনায়ক হিসেবে সবশেষ ১৭ টেস্টের মধ্যে ৭টিতে জয়ের রেকর্ড গড়েন শান্ত। এই রেকর্ড গড়ার পথে শান্ত ছাড়িয়ে যান সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে। সবচেয়ে কম ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ সাতটি টেস্ট ম্যাচ জেতান শান্ত।
মিরপুর টেস্ট শেষ হওয়ার আগে অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি সফল ছিলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে মোট সাতটি ম্যাচ জিতিয়েছেন তিনি। এবার পাকিস্তানকে হারিয়ে অধিনায়ক হিসেবে শান্তও জিতলেন সপ্তম টেস্ট।
তবে মুশফিকের চেয়ে অর্ধেক ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েই এই সাতটি ম্যাচ জিতিয়েছেন শান্ত। মুশফিক বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মোট ৩৪টি ম্যাচে। যেখানে সাতটি জয় ও নয়টি ড্রয়ের বিপরীতে আছে ১৮টি হার।
এদিকে শান্ত বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মোটে ১৭টি ম্যাচে। এর মধ্যে জিতেছেন সাতটি, ড্র হয়েছে একটি। বাকি নয়টি ম্যাচ তার নেতৃত্ব হেরেছে বাংলাদেশ।
What's Your Reaction?