পাগলা মসজিদে পাওয়া ৩২ বস্তা টাকা গুণছেন ৫০০ জন

6 hours ago 4

কিশোরগঞ্জ শহরের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদী তীরের হারুয়া এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে ১৪টি লোহার দানবাক্স খোলা হয়েছে। ৪ মাস ১৮ দিন পর শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টায় এ দানবাক্সগুলো খুলে ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। আর এ টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছে জেলা প্রশাসন ও মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৫০০ লোক।

টাকা গণনার কাজে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ, রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেছীসহ ঐতিহাসিক জামিয়া ইমদাদিয়া মাদরাসার ২২০ ও পাগলা মসজিদের নুরুল কোরআন হাফিজিয়া মাদরাসার ১২০ জন শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংকের ব্যাংকের ১০০ জন স্টাফ, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন স্টাফ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২০ জন সদস্য অংশ নিয়েছেন টাকা গণনায়।

পাগলা মসজিদে পাওয়া ৩২ বস্তা টাকা গুণছেন ৫০০ জন

তিন মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার ৪ মাস ১৮ দিন পর দানবাক্স খোলা হয়েছে। এ কারণে এবার নতুন করে বসানো হয়েছে আরও দুইটি দানবাক্স।

এর আগে ৪ মাস ১২ দিন পর চলতি বছরের ১২ এপ্রিল পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে রেকর্ড ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছিল বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক এরশাদুল আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

পাগলা মসজিদে পাওয়া ৩২ বস্তা টাকা গুণছেন ৫০০ জন

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলীর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এছাড়াও এসময় বিপুলসংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এসকে রাসেল/এমএন/এমএস

Read Entire Article