পাচারকারী চক্রের খপ্পর থেকে মাদ্রাসাছাত্রী উদ্ধার, মূলহোতা গ্রেপ্তার
কক্সবাজারের চকরিয়ায় স্বর্ণের চেইন ও ভ্রমণের প্রলোভন দেখিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে অপহৃত এক অপ্রাপ্তবয়স্ক মাদ্রাসাছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পাচারকারী চক্রের মূলহোতা তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমাকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) কক্সবাজার শহরের কলাতলী লাইট হাউস এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া সাহারবিল এলাকার প্রবাসী শাহ আলমের মেয়ে ও স্থানীয় মিজবাউল উলুম মাদ্রাসার ছাত্রী জান্নাতুল নাঈম (১৩) গত ২৮ এপ্রিল মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে ২৯ এপ্রিল চকরিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তদন্তের একপর্যায়ে নিখোঁজ ছাত্রীর পরিবারের সন্দেহের ভিত্তিতে উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের জামাল উদ্দিনের মেয়ে তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমাকে কক্সবাজার পর্যটন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিমা ঘটনা অস্বীকার করলেও পুলিশের কঠোর জেরার মুখে জবানবন্দি দিতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, কলাতলী লাইট হাউস পাড়ার একটি ভাড়া বাসায় অভ
কক্সবাজারের চকরিয়ায় স্বর্ণের চেইন ও ভ্রমণের প্রলোভন দেখিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে অপহৃত এক অপ্রাপ্তবয়স্ক মাদ্রাসাছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পাচারকারী চক্রের মূলহোতা তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমাকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) কক্সবাজার শহরের কলাতলী লাইট হাউস এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া সাহারবিল এলাকার প্রবাসী শাহ আলমের মেয়ে ও স্থানীয় মিজবাউল উলুম মাদ্রাসার ছাত্রী জান্নাতুল নাঈম (১৩) গত ২৮ এপ্রিল মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে ২৯ এপ্রিল চকরিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তদন্তের একপর্যায়ে নিখোঁজ ছাত্রীর পরিবারের সন্দেহের ভিত্তিতে উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের জামাল উদ্দিনের মেয়ে তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমাকে কক্সবাজার পর্যটন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিমা ঘটনা অস্বীকার করলেও পুলিশের কঠোর জেরার মুখে জবানবন্দি দিতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, কলাতলী লাইট হাউস পাড়ার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে জান্নাতুল নাঈমকে উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের সহযোগী দুই রাখাইন নারী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত শিমা ও তার সহযোগীরা একটি সংঘবদ্ধ নারী পাচার চক্রের সদস্য। তারা মূলত দরিদ্র ও সহজ-সরল অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীদের লক্ষ্য বানিয়ে সখ্যতা গড়ে তোলে। ভিকটিম জান্নাতুলকে সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে নেওয়া এবং স্বর্ণের চেইন দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করা হয়েছিল।
পুলিশ জানায়, এই চক্রটি মেয়েদের অপহরণ করে যৌন শোষণ ও পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে পাচার করে থাকে। এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন, মানব পাচার ও নারী নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। এই চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।
What's Your Reaction?