পায়ে হেঁটে হজের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন দুলাল হোসেন

পবিত্র হজ পালনের অদম্য বাসনা নিয়ে পায়ে হেঁটে সৌদি আরবের মক্কা নগরীর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার দুলাল হোসেন (৪৫)। ​ তিনি উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের তাড়াই বড়ইচোরা গ্রামের মৃত মকসেদ আলী ও পিয়ারা বেগমের ছেলে দুলাল হোসেন। দীর্ঘদিন ধরে তার স্বপ্ন ছিল পায়ে হেঁটে পবিত্র কাবা শরীফ তাওয়াফ করা এবং হজ পালন করা। সেই নিয়ত পূরণ করতেই তিনি গ্রামবাসীর কাছ থেকে দোয়া ও বিদায় নিয়ে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে গ্রাম থেকে পায়ে হেঁটে দূরন্ত এই সফরের সূচনা করেছেন। ​এলাকাবাসী কাওসার হোসেন বলেন, দুলাল হোসেনের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শুনে তাড়াই গ্রামের সাধারণ মানুষ তাকে বিদায় জানাতে ভিড় জমায়। বিদায়বেলায় এক ভাবগম্ভীর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সবাই তার জন্য দোয়া করেন। মহান আল্লাহর দরবারে তার মনোবাসনা পুরনের দোয়া করেন। গ্রামের প্রবীণ রফিকুল ইসলাম জানান, অত্যন্ত ধার্মিক ও সরল জীবনযাপনে অভ্যস্ত দুলাল দীর্ঘদিন ধরে এই যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। দুলাল হোসেন বলেন, আল্লাহর ঘরে যাওয়ার আকুল ব্যাকুলতা থেকেই আমার এই সিদ্ধান্ত। হেঁটে হজ করতে যাওয়া কষ্টসাধ্য হলেও আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আমি রওনা হয়েছি। নিজের সুস্থতা এবং স

পায়ে হেঁটে হজের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন দুলাল হোসেন

পবিত্র হজ পালনের অদম্য বাসনা নিয়ে পায়ে হেঁটে সৌদি আরবের মক্কা নগরীর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার দুলাল হোসেন (৪৫)। ​ তিনি উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের তাড়াই বড়ইচোরা গ্রামের মৃত মকসেদ আলী ও পিয়ারা বেগমের ছেলে দুলাল হোসেন।

দীর্ঘদিন ধরে তার স্বপ্ন ছিল পায়ে হেঁটে পবিত্র কাবা শরীফ তাওয়াফ করা এবং হজ পালন করা। সেই নিয়ত পূরণ করতেই তিনি গ্রামবাসীর কাছ থেকে দোয়া ও বিদায় নিয়ে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে গ্রাম থেকে পায়ে হেঁটে দূরন্ত এই সফরের সূচনা করেছেন।

​এলাকাবাসী কাওসার হোসেন বলেন, দুলাল হোসেনের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শুনে তাড়াই গ্রামের সাধারণ মানুষ তাকে বিদায় জানাতে ভিড় জমায়। বিদায়বেলায় এক ভাবগম্ভীর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সবাই তার জন্য দোয়া করেন। মহান আল্লাহর দরবারে তার মনোবাসনা পুরনের দোয়া করেন।

গ্রামের প্রবীণ রফিকুল ইসলাম জানান, অত্যন্ত ধার্মিক ও সরল জীবনযাপনে অভ্যস্ত দুলাল দীর্ঘদিন ধরে এই যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

দুলাল হোসেন বলেন, আল্লাহর ঘরে যাওয়ার আকুল ব্যাকুলতা থেকেই আমার এই সিদ্ধান্ত। হেঁটে হজ করতে যাওয়া কষ্টসাধ্য হলেও আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আমি রওনা হয়েছি। নিজের সুস্থতা এবং সফলভাবে হজ পালনের জন্য সবার দোয়া কামনা করেন।

​তিনি জানান, সীমান্ত অতিক্রম ও অন্যান্য দেশ হয়ে সৌদি আরব পৌঁছানোর জন্য নির্ধারিত পথের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় বিষয়াদি কোন বাধা না হয়। সে জন্য সরকারের কাছে সাহায্য চান তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow