পারিবারিক কলহ-মানসিক ক্ষোভ থেকে কাঁচি দিয়ে বাবা-মাকে হত্যা
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বাবা-মাকে কাঁচি দিয়ে হত্যার আলোচিত ঘটনার নেপথ্যে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও মানসিক ক্ষোভ কাজ করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেফতার একমাত্র ছেলে রিমন দাশ গুপ্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচিটি উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) আনোয়ারা থানা পুলিশ সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায়। এর আগে শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গুজরা এলাকার চৈতন্য মহাজন বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- স্বপন দাশ গুপ্ত (৬৫) ও তার স্ত্রী কল্পনা দাশ গুপ্ত (৫৫)। আরও পড়ুন চট্টগ্রামে একমাত্র ছেলের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো মা-বাবার পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাবা-মায়ের সঙ্গে রিমনের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন দুপুরে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ঘরে থাকা একটি কাঁচি দিয়ে প্রথমে মা কল্পনা দাশ গুপ্তকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন তিনি। পরে মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বাবা স্বপন দাশ গুপ্তকেও একই কাঁচি দিয়ে গলা ও পেটে আঘাত করেন। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলেই কল্পনা দাশ গুপ্ত মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায়
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বাবা-মাকে কাঁচি দিয়ে হত্যার আলোচিত ঘটনার নেপথ্যে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও মানসিক ক্ষোভ কাজ করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেফতার একমাত্র ছেলে রিমন দাশ গুপ্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচিটি উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) আনোয়ারা থানা পুলিশ সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায়।
এর আগে শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গুজরা এলাকার চৈতন্য মহাজন বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- স্বপন দাশ গুপ্ত (৬৫) ও তার স্ত্রী কল্পনা দাশ গুপ্ত (৫৫)।
পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাবা-মায়ের সঙ্গে রিমনের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন দুপুরে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ঘরে থাকা একটি কাঁচি দিয়ে প্রথমে মা কল্পনা দাশ গুপ্তকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন তিনি। পরে মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বাবা স্বপন দাশ গুপ্তকেও একই কাঁচি দিয়ে গলা ও পেটে আঘাত করেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলেই কল্পনা দাশ গুপ্ত মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বপন দাশ গুপ্তকে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর অভিযুক্ত রিমন দাশ গুপ্ত নিজ কক্ষেই অবস্থান করছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচিটিও উদ্ধার করা হয়েছে।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, নিহত স্বপন দাশ গুপ্তের ভাই তপন দাশ গুপ্ত বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত কল্পনা দাশ গুপ্তের ছোট জা তিথি দাশ জানান, রিমন দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল। ঘটনার দিন সকালে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ফেরার কিছুক্ষণ পর রিমন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মায়ের ওপর হামলা চালান। স্বপন দাশ গুপ্ত স্ত্রীকে বাঁচাতে গেলে তাকেও আঘাত করা হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় স্বপন দাশকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এমআরএএইচ/ইএ
What's Your Reaction?

