পারিবারিক কলহের জেরে নারী পোশাককর্মীর গলায় ফাঁস
রাজধানীর মুগদা থানাধীন উত্তর মান্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে সুমাইয়া খাতুন জেরিন (২২) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি পেশায় পোশাককর্মী ছিলেন। বুধবার (২০ মে) বিকেলে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে। মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ মৃধা জানান, খবর পেয়ে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, সুমাইয়া পেশায় পোশাকশ্রমিক। তার স্বামী আকরাম হোসেন শান্ত অটোরিকশাচালক। শাশুড়ির সঙ্গে সুমাইয়ার সম্পর্ক তেমন ভালো ছিল না। এ নিয়ে পারিবারিক কলহ ছিল। এরই জেরে নিজ রুমের জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে মুগদা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। সুমাইয়া আক্তার শেরপুর জেলা সদরের চক্রামপুর গ্রামের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে। বর্তমানে মুগদার উত্তর মান্ডায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। কাজী আল-আ
রাজধানীর মুগদা থানাধীন উত্তর মান্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে সুমাইয়া খাতুন জেরিন (২২) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি পেশায় পোশাককর্মী ছিলেন।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ মৃধা জানান, খবর পেয়ে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, সুমাইয়া পেশায় পোশাকশ্রমিক। তার স্বামী আকরাম হোসেন শান্ত অটোরিকশাচালক। শাশুড়ির সঙ্গে সুমাইয়ার সম্পর্ক তেমন ভালো ছিল না। এ নিয়ে পারিবারিক কলহ ছিল। এরই জেরে নিজ রুমের জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে মুগদা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
সুমাইয়া আক্তার শেরপুর জেলা সদরের চক্রামপুর গ্রামের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে। বর্তমানে মুগদার উত্তর মান্ডায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
কাজী আল-আমিন/এমকেআর
What's Your Reaction?