পিরোজপুরে দুই মিটার রিডারকে আটকে রাখলেন গ্রাহকরা

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুই মিটার রিডারকে আটকে রাখেন।  মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলার পৌর শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।  আটক দুই মিটার রিডার হলেন- মঠবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মী জাহাঙ্গীর হোসেন ও সাব্বির হোসেন। ভুক্তভোগী গ্রাহক মোহাম্মদ রাসেল অভিযোগ করেন, গত জুন মাসে তার বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ ছিল ৮৫ ইউনিট। কিন্তু চলতি মাসে মিটারের প্রকৃত রিডিং এক হাজার ৫৮০ ইউনিট থাকা সত্ত্বেও বিল তৈরির সময় তা এক হাজার ৬৬০ ইউনিট দেখানো হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত ৮০ ইউনিটের বিল যুক্ত হয়েছে। এ ধরনের ভুল রিডিংয়ের কারণে প্রায়ই গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। স্থানীয় গ্রাহকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মিটার রিডিং ও বিল-সংক্রান্ত সমস্যায় তারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তারা ভুল রিডিং বন্ধ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মো. আমিনুল ইসলাম সুমন বলেন, মিটার রিডার জাহাঙ্গীর হোসেন অসুস্থ থাকায় গত মাসে তার ছে

পিরোজপুরে দুই মিটার রিডারকে আটকে রাখলেন গ্রাহকরা

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুই মিটার রিডারকে আটকে রাখেন। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলার পৌর শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। 

আটক দুই মিটার রিডার হলেন- মঠবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মী জাহাঙ্গীর হোসেন ও সাব্বির হোসেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহক মোহাম্মদ রাসেল অভিযোগ করেন, গত জুন মাসে তার বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ ছিল ৮৫ ইউনিট। কিন্তু চলতি মাসে মিটারের প্রকৃত রিডিং এক হাজার ৫৮০ ইউনিট থাকা সত্ত্বেও বিল তৈরির সময় তা এক হাজার ৬৬০ ইউনিট দেখানো হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত ৮০ ইউনিটের বিল যুক্ত হয়েছে। এ ধরনের ভুল রিডিংয়ের কারণে প্রায়ই গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে।

স্থানীয় গ্রাহকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মিটার রিডিং ও বিল-সংক্রান্ত সমস্যায় তারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তারা ভুল রিডিং বন্ধ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মো. আমিনুল ইসলাম সুমন বলেন, মিটার রিডার জাহাঙ্গীর হোসেন অসুস্থ থাকায় গত মাসে তার ছেলে মিটার রিডিং সংগ্রহ করেছিলেন। ওই সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে একটি ভুল হয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে এবং দ্রুত সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ নিয়ে গ্রাহকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow