পুকুরে ভাসছিল মরদেহ, তরুণীকে খুঁটিতে বাঁধলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন
জামালপুরের মেলান্দহে নিজের ৯ মাস বয়সী একমাত্র শিশু সন্তানকে হত্যার অভিযোগে এক তরুণীকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৮ জুন) সকালে উপজেলার ভাবকী গোয়ালবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শ্রাবন্তী জামালপুর পৌর শহরের কম্পপুর মাঠপাড় এলাকার মুন্তাজ আলীর মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেলান্দহের ভাবকী গোয়ালবাড়ি এলাকার হুমায়ুন আহমেদ (২৫) ও শ্রাবন্তী (২০) দম্পতির একমাত্র সন্তান শাওন (৯ মাস) রাতে বাবা-মায়ের সঙ্গেই ঘুমিয়ে ছিল। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘুম থেকে উঠে হুমায়ুন দেখেন ঘরের সামনের ও পেছনের দুটি দরজাই খোলা এবং বিছানায় তার স্ত্রী ও সন্তান কেউই নেই। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে পার্শ্ববর্তী বেপারীপাড়া কিতাবের বাড়ির পাশে শ্রাবন্তীকে দেখতে পান স্বজনরা। এর কিছুক্ষণ পরই বাড়ির পাশের একটি পুকুরে শিশু শাওনের মরদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সন্তানকে হত্যার অভিযোগে ক্ষুব্ধ হুমায়ুনের স্বজনরা ওই তরুণীকে ধরে এনে বাড়ির পাশে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন।
অভিযুক্ত তরুণী শ্রাবন্তী বলেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে এক ব্যক্তি ঘরের দরজায় ট
জামালপুরের মেলান্দহে নিজের ৯ মাস বয়সী একমাত্র শিশু সন্তানকে হত্যার অভিযোগে এক তরুণীকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৮ জুন) সকালে উপজেলার ভাবকী গোয়ালবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শ্রাবন্তী জামালপুর পৌর শহরের কম্পপুর মাঠপাড় এলাকার মুন্তাজ আলীর মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেলান্দহের ভাবকী গোয়ালবাড়ি এলাকার হুমায়ুন আহমেদ (২৫) ও শ্রাবন্তী (২০) দম্পতির একমাত্র সন্তান শাওন (৯ মাস) রাতে বাবা-মায়ের সঙ্গেই ঘুমিয়ে ছিল। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘুম থেকে উঠে হুমায়ুন দেখেন ঘরের সামনের ও পেছনের দুটি দরজাই খোলা এবং বিছানায় তার স্ত্রী ও সন্তান কেউই নেই। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে পার্শ্ববর্তী বেপারীপাড়া কিতাবের বাড়ির পাশে শ্রাবন্তীকে দেখতে পান স্বজনরা। এর কিছুক্ষণ পরই বাড়ির পাশের একটি পুকুরে শিশু শাওনের মরদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সন্তানকে হত্যার অভিযোগে ক্ষুব্ধ হুমায়ুনের স্বজনরা ওই তরুণীকে ধরে এনে বাড়ির পাশে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন।
অভিযুক্ত তরুণী শ্রাবন্তী বলেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে এক ব্যক্তি ঘরের দরজায় টোকা দিলে আমি দরজা খুলে দিই। এ সময় এক মুখোশধারী ব্যক্তি আমার মুখে রুমাল চেপে ধরে অজ্ঞান করে ফেলে। এরপর সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে আমাকে ভাবকী বাজার এলাকায় নামিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে কিছুটা জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে ধরে এনে এখানে বেঁধে রাখে। আমার সন্তানকে কে বা কারা মেরেছে, আমি তা জানি না।
স্বামী হুমায়ুন আহমেদ বলেন, ছেলেকে খাইয়ে রাতে আমরা একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সকালে উঠে দেখি ছেলে এবং বউ ঘরে নেই, দুই দরজাই খোলা। শ্রাবন্তী এর আগেও কয়েকবার ঘর ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল। সে একাধিক ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলত। এই নিয়ে এর আগে কয়েকবার বিচার সালিশও হয়েছে। এবার বাবার বাড়ি থেকে আসার সময় সে তার মোবাইলটি সেখানেই রেখে এসেছে। ও-ই আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্ত নারীকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য শিশুর মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।