পুলিশের গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সিএমপি কমিশনার

চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের কোনো গাফিলতি পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী। বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের লালদীঘি এলাকায় সিএমপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সিএমপি কমিশনার বলেন, সিটি কলেজের ঘটনার পর আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। ক্যাম্পাস ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যারা সংঘর্ষে জড়িত ছিল, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, সংঘর্ষের সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের কোনো গাফিলতি ছিল কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। যদি কারও দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরও পড়ুনচট্টগ্রাম সিটি কলেজ: সংঘর্ষের শুরুর দিকে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তিনি জানান, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। কোনো পক্ষও লিখিত অভিযোগ বা মামলা দেয়নি। তবে পুলিশ নিজ উদ্যোগে ঘটনাটির ভিডিওচিত্র ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ

পুলিশের গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সিএমপি কমিশনার

চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের কোনো গাফিলতি পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের লালদীঘি এলাকায় সিএমপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সিএমপি কমিশনার বলেন, সিটি কলেজের ঘটনার পর আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। ক্যাম্পাস ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যারা সংঘর্ষে জড়িত ছিল, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, সংঘর্ষের সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের কোনো গাফিলতি ছিল কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। যদি কারও দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন
চট্টগ্রাম সিটি কলেজ: সংঘর্ষের শুরুর দিকে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। কোনো পক্ষও লিখিত অভিযোগ বা মামলা দেয়নি। তবে পুলিশ নিজ উদ্যোগে ঘটনাটির ভিডিওচিত্র ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করছে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে প্রথম দফায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিকেলে আবারও সংঘর্ষ হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উভয়পক্ষের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে কয়েকজন আহত হন।
সংঘর্ষের পর কলেজের অভ্যন্তরীণ ক্লাস ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ ও মাস্টার্সের পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হয় বলে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত নিয়ে কলেজ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ক্যাম্পাসের একটি দেয়ালে লেখা ‘ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’ শীর্ষক গ্রাফিতি পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এর জের ধরেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা।

সংঘর্ষে আহতদের দেখতে এসে একই অভিযোগ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও শুরুতে তারা কার্যকরভাবে হস্তক্ষেপ করেনি।

সিএমপি কমিশনার বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কলেজ ক্যাম্পাস ও আশপাশে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এমআরএএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow