পেসারদের উন্নতিতে পিচ ও বল পরিবর্তনের সুফল দেখছেন নান্নু
ঘরোয়া ক্রিকেটের নানা সংকট ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা শোনা যাচ্ছে। বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেছেন, ‘প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও মানসম্মত করতে গত কয়েক বছরে নেওয়া হয়েছে বেশ কিছু বাস্তবধর্মী উদ্যোগ। এতে করে পেসাররা ধারাবাহিকভাবে সাফল্য পাচ্চ্ছএন বলে মনে করেন তিনি।’ সম্প্রতি গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার জন্য আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছি। মাঠ ও পিচে নির্দিষ্ট মাত্রায় ঘাস রাখার পাশাপাশি বলের ধরনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।’ আগে যেখানে কোকাবুরা বল ব্যবহার করা হতো, সেখানে এখন চালু করা হয়েছে ডিউক বল। নান্নুর মতে, ‘ডিউক বল তুলনামূলক বেশি সুইং করে। এতে ব্যাটারদের টেকনিক ও দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে ফাস্ট বোলাররাও ম্যাচের শেষ দিক পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারছে, যা সাম্প্রতিক সাফল্যের অন্যতম কারণ।’ তিনি আরও মনে করেন, এই পরিবর্তনের ফলে দেশের পেসারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নান্নুর ভাষায়, ‘ফাস্ট বোলারদের এখন সারাদিন বোলিং করার পরও শেষ বিকেলে
ঘরোয়া ক্রিকেটের নানা সংকট ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা শোনা যাচ্ছে। বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেছেন, ‘প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও মানসম্মত করতে গত কয়েক বছরে নেওয়া হয়েছে বেশ কিছু বাস্তবধর্মী উদ্যোগ। এতে করে পেসাররা ধারাবাহিকভাবে সাফল্য পাচ্চ্ছএন বলে মনে করেন তিনি।’
সম্প্রতি গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার জন্য আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছি। মাঠ ও পিচে নির্দিষ্ট মাত্রায় ঘাস রাখার পাশাপাশি বলের ধরনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।’
আগে যেখানে কোকাবুরা বল ব্যবহার করা হতো, সেখানে এখন চালু করা হয়েছে ডিউক বল। নান্নুর মতে, ‘ডিউক বল তুলনামূলক বেশি সুইং করে। এতে ব্যাটারদের টেকনিক ও দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে ফাস্ট বোলাররাও ম্যাচের শেষ দিক পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারছে, যা সাম্প্রতিক সাফল্যের অন্যতম কারণ।’
তিনি আরও মনে করেন, এই পরিবর্তনের ফলে দেশের পেসারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নান্নুর ভাষায়, ‘ফাস্ট বোলারদের এখন সারাদিন বোলিং করার পরও শেষ বিকেলে আত্মবিশ্বাস নিয়ে বল করার মানসিকতা তৈরি হয়েছে।’
তবে উন্নয়নের পাশাপাশি কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, এখনও অনেক ক্ষেত্রে পরিকল্পনার ঘাটতি রয়েছে, ‘আমরা এখনো ম্যাচের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে কোচ ঠিক করার মতো পরিস্থিতিতে আছি। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
এসকেডি/আইএন
What's Your Reaction?