বিশ্বের পোশাক ও কাপড়ের বাজারে এখনো শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ চীন। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে ভিয়েতনাম, তুরস্ক, ভারতের মতো দেশগুলোও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছর বিলিয়ন ডলারের এই শিল্পে বড় উৎপাদন সক্ষমতা, সাশ্রয়ী দাম আর টেকসই উৎপাদনই প্রতিযোগিতার মূল হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
একনজরে দেখে নেওয়া যাক ২০২৩ ও ২০২৪ সালের শীর্ষ ১০ টেক্সটাইল রপ্তানিকারক দেশ কোনগুলো:
১. চীন
বিশ্বে পোশাক ও টেক্সটাইল রপ্তানিতে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে চীন। ২০২৩ সালে দেশটি ২৬০ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। ২০২৪ সালে এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৩০১ বিলিয়ন ডলারে।
২. বাংলাদেশ
দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ ২০২৩ সালে ৪৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছিল। তবে ২০২৪ সালে দেশটির রপ্তানি কমে দাঁড়িয়েছে ৩৮ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে।
আরও পড়ুন>>
- ভারতের ওপর ট্রাম্পের ৫০% শুল্কারোপে বাংলাদেশের সামনে বড় সুযোগ
- ট্রাম্পের শুল্কে চাপে মিয়ানমার, পোশাক খাতের ক্রয়াদেশ আসতে পারে বাংলাদেশে
- ৫০% শুল্ক: চরম ক্ষতির মুখে ভারতের পোশাক-চামড়া-রত্নসহ একাধিক খাত
৩. ভিয়েতনাম
২০২৩ সালে ৪২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করা ভিয়েতনাম ২০২৪ সালে এর পরিমাণ বাড়িয়ে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে।
৪. তুরস্ক:
২০২৩ সালে তুরস্কের পোশাক রপ্তানি ছিল ৩৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের। ২০২৪ সালে এর পরিমাণ কমে ৩৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
৫. ভারত:
পঞ্চম স্থানে থাকা ভারত ২০২৩ সালে ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। ২০২৪ সালে তাদের রপ্তানিও কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারে।
৬. ইতালি:
২০২৩ সালে ইতালির পোশাক রপ্তানি ছিল ৩৭ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালের তথ্য প্রকাশিত হয়নি।
৭. জার্মানি:
২০২৩ সালে জার্মানির পোশাক রপ্তানি ছিল ৩০ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালের তথ্য পাওয়া যায়নি।
৮. যুক্তরাষ্ট্র:
যুক্তরাষ্ট্র ২০২৩ সালে ২১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। ২০২৪ সালে এর পরিমাণ বেড়ে ২২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়।
৯. পাকিস্তান:
নবম স্থানে থাকা পাকিস্তান ২০২৩ সালে ১৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। ২০২৪ সালে রপ্তানি কমে ১৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।
১০. স্পেন:
২০২৩ সালে স্পেনের পোশাক রপ্তানি ছিল ১৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালে তা বেড়ে ২১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
দেখা যাচ্ছে, বিশ্ববাজারে চীন নিরঙ্কুশভাবে শীর্ষে থাকলেও বাজারে প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে, নতুন উদীয়মান অর্থনীতি ও ইউরোপীয় বাজারে রপ্তানির সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
কেএএ/