পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন ৩৫৮ কারাবন্দি
জাতীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কারা সূত্রে জানা গেছে, গত ৩, ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি তিন দিনব্যাপী নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে এবং কারা কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতায় কারাগারের ভেতরে নির্ধারিত বুথে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে পোস্টাল ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। যোগ্য বন্দিদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের মাঝে পোস্টাল ব্যালট পেপার বিতরণ করা হয়। পরে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে তারা গোপন ব্যালটে ভোট প্রদান করেন। এতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৩০৭ এবং বিশেষ কারাগারে ৫১ জনসহ মোট ৩৫৮ বন্দি পোস্টাল ভোট প্রদান করেন। কারা কর্মকর্তারা জানান, বন্দিদের সাংবিধানিক অধিকার সংরক্ষণ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় বন্দিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও সন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে। এদিকে কারাগারে অনুষ্ঠিত এই ভোটগ্রহণ কার্যক্রম
জাতীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারা সূত্রে জানা গেছে, গত ৩, ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি তিন দিনব্যাপী নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে এবং কারা কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতায় কারাগারের ভেতরে নির্ধারিত বুথে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে পোস্টাল ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। যোগ্য বন্দিদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের মাঝে পোস্টাল ব্যালট পেপার বিতরণ করা হয়। পরে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে তারা গোপন ব্যালটে ভোট প্রদান করেন।
এতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৩০৭ এবং বিশেষ কারাগারে ৫১ জনসহ মোট ৩৫৮ বন্দি পোস্টাল ভোট প্রদান করেন।
কারা কর্মকর্তারা জানান, বন্দিদের সাংবিধানিক অধিকার সংরক্ষণ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় বন্দিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও সন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে কারাগারে অনুষ্ঠিত এই ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন দেশি-বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। বিদেশি পর্যবেক্ষক দলের সদস্যরা পুরো প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরিদর্শন শেষে তারা এ ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পোস্টাল ভোট ব্যবস্থাপনা, ব্যালটের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা রক্ষা এবং গণনার প্রতিটি ধাপে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। ফলে পুরো কার্যক্রম ছিল নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পোস্টাল ভোটের এই আয়োজন ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য কারাগারেও এ ধরনের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম চালুর পথ সুগম করবে এবং কারাবন্দিদের গণতান্ত্রিক অধিকার বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
What's Your Reaction?