প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের দাফনে সাংবাদিক কামাল হোসেন
ময়মনসিংহের ত্রিশালে মায়ের শেষ বিদায়ে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ছুটে যান কারাগারে থাকা সাংবাদিক কামাল হোসেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। পরে পুলিশি পাহারায় তিনি ত্রিশাল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাড়িতে গিয়ে মায়ের দাফন-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন। একই দিন বিকেল ৪টায় মরহুমার নিজ বাড়িতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে কামাল হোসেনকে আবারো পুলিশ পাহারায় ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। সাংবাদিক কামাল হোসেনের মা খোরশিদা বেগম মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ত্রিশাল কোর্ট ভবন এলাকার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। কামালের ছোট ভাই মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ভাই কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই মা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি কারাগারে থাকা ছেলের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি সবসময় উদ্বিগ্ন ছিলেন। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে মানসিক দুশ্চিন্তাও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায়।’ গত ২৩ মে ভোরে সাংবাদিক কামাল হোসেনকে তার নিজ বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে। পরে বিস্
ময়মনসিংহের ত্রিশালে মায়ের শেষ বিদায়ে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ছুটে যান কারাগারে থাকা সাংবাদিক কামাল হোসেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। পরে পুলিশি পাহারায় তিনি ত্রিশাল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাড়িতে গিয়ে মায়ের দাফন-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন।
একই দিন বিকেল ৪টায় মরহুমার নিজ বাড়িতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে কামাল হোসেনকে আবারো পুলিশ পাহারায় ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।
সাংবাদিক কামাল হোসেনের মা খোরশিদা বেগম মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ত্রিশাল কোর্ট ভবন এলাকার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।
কামালের ছোট ভাই মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ভাই কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই মা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি কারাগারে থাকা ছেলের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি সবসময় উদ্বিগ্ন ছিলেন। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে মানসিক দুশ্চিন্তাও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায়।’
গত ২৩ মে ভোরে সাংবাদিক কামাল হোসেনকে তার নিজ বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে। পরে বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি দ্য ডেইলি অবজারভার পত্রিকার সাংবাদিক এবং ত্রিশাল রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ছিলেন।
হোসাইন সুলভ/এফএ
What's Your Reaction?