প্রথম ম্যাচেই নিজের মূল্য বুঝিয়ে দিলেন মোস্তাফিজ
জয় দিয়েই পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) নতুন মৌসুমের মিশন শুরু করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান এবং পারভেজ হোসেন ইমন। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ হায়দরাবাদ কিংসমেনকে ৬৯ রানে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে বাংলাদেশের এই দুই তারকার দল লাহোর কালান্দার্স। লাহোরের হয়ে এদিন টাইগার ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন খেলেছেন ১৩ বলে ১৪ রানের ইনিংস। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান নিজের জাত চিনিয়েছেন কিপটে বোলিংয়ে। ৪ ওভার বল করে মাত্র ঊনিশ রান দিয়ে শিকার করেছেন প্রতিপক্ষের মূল্যবান ১ উইকেট। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় লাহোর কালান্দার্স। দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটার পারভেজ হোসেন ইমন এবং মোস্তাফিজুর রহমানকে একাদশে রেখেই মাঠে নামে লাহোর। লাহোরের হয়ে ওপেনিংয়ে নামেন মোহাম্মদ নাঈম এবং ফখর জামান। শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং চালিয়েছেন লাহোরের দুই ওপেনার। উইকেটের চার পাশে খেলেছেন দারুণ সব শট। বের করেছেন রান। ওপেনিং জুটিতে ৮৪ রান তোলে লাহোর কালান্দার্স। নাঈম সাজঘরে ফিরে যান ১৯ বলে ৩০ রান করে। তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি আব্দুল্লাহ শফিক। ৫ বলে ৪ রান করে পরের ওভারেই বিদায় নেন তিনি। ৯৪ রানের মধ্যে জ
জয় দিয়েই পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) নতুন মৌসুমের মিশন শুরু করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান এবং পারভেজ হোসেন ইমন। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ হায়দরাবাদ কিংসমেনকে ৬৯ রানে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে বাংলাদেশের এই দুই তারকার দল লাহোর কালান্দার্স। লাহোরের হয়ে এদিন টাইগার ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন খেলেছেন ১৩ বলে ১৪ রানের ইনিংস। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান নিজের জাত চিনিয়েছেন কিপটে বোলিংয়ে। ৪ ওভার বল করে মাত্র ঊনিশ রান দিয়ে শিকার করেছেন প্রতিপক্ষের মূল্যবান ১ উইকেট।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় লাহোর কালান্দার্স। দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটার পারভেজ হোসেন ইমন এবং মোস্তাফিজুর রহমানকে একাদশে রেখেই মাঠে নামে লাহোর।
লাহোরের হয়ে ওপেনিংয়ে নামেন মোহাম্মদ নাঈম এবং ফখর জামান। শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং চালিয়েছেন লাহোরের দুই ওপেনার। উইকেটের চার পাশে খেলেছেন দারুণ সব শট। বের করেছেন রান।
ওপেনিং জুটিতে ৮৪ রান তোলে লাহোর কালান্দার্স। নাঈম সাজঘরে ফিরে যান ১৯ বলে ৩০ রান করে। তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি আব্দুল্লাহ শফিক। ৫ বলে ৪ রান করে পরের ওভারেই বিদায় নেন তিনি। ৯৪ রানের মধ্যে জোড়া উইকেট হারিয়েছে লাহোর।
চারে নামেন পারভেজ হোসেন ইমন। আরেক প্রান্তে ফখর তুলে নেন ফিফটি। যদিও ফিফটির পরেই থেমেছেন। শফিক ফেরার পরের ওভারেই বিদায় নিওয়েছেন ফখর জামান। ৩৯ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন ফখর। টানা ৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়েছে লাহোর।
এরপর ইমনের সাথে যোগ দিয়েছেন হাসিবউল্লাহ খান। ছন্দে ছিলেন হাসিবউল্লাহ। ইমন অতটা সুবিধা করতে পারেননি। ১৩ বলে ১৪ রানের ইনিংস খেলে দলের ১৩১ রানের মাথাতে থেমেছেন ইমন।
শেষ দিকে হাসিবউল্লাহ এবং সিকান্দার রাজা মিলে চালিয়েছেন তাণ্ডব। বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়েছে লাহোর। ১০ বলে ২৪ রানের ক্যামিও খেলেছেন রাজা। আসিফ আলী ৬ বলে করেছেন ৯ রান। শেষ ২ বলে ২ ছক্কা হাঁকান শাহীন শাহ আফ্রিদি। ২৮ বলে ৪০ রান করে টিকে ছিলেন হাসিবউল্লাহ। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে লাহোর।
হায়দরাবাদের হয়ে রিলে মেরেডিথ ৩ উইকেট শিকার করেছেন। হাসান খান নেন ২ উইকেট। ১ উইকেট নেন মোহাম্মদ আলী।
জবাব দিতে নেমে হায়দরাবাদের হয়ে ইনিংসের সূচনা করেছেন সাইম আইয়ুব এবং উসমান খান। শুরুতে দেখেশুনে এগিয়েছেন দুজন। ওপেনিং জুটিতে এসেছে ২৫ রান। ৬ বলে ৯ রান করে সাজঘরে ফিরে যান উসমান। তাকে ফিরিয়েছেন লাহোরের অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি।
পরের ওভারেই বিদায় নিয়েছেন সাইম। বেশি একটা সুবিধা করতে পারেননি তিনি, যদিও ভালো শুরু পেয়েছিলেন। ১৩ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলে দলের ৩৩ রানের মাথাতে সাজঘরে ফিরে যান সাইম।
তিনে নামা অধিনায়ক মারনাস লাবুশেন এক প্রান্ত ধরে খেলে গেছেন। যদিও আরেক প্রান্তে ব্যাটাররা টিকতে পারছিলেন না। চারে নামা কুশল পেরেরা ৫ বলে করেছেন মাত্র ১ রান।
৬ষ্ঠ ওভারে প্রথম বোলিংয়ে আসেন মোস্তাফিজুর রহমান। নিজের প্রথম ওভারে মাত্র ৪ রান দেন ফিজ। এরপর ৮ম ওভারে আবারও বল হাতে নেন। দিয়েছেন মাত্র ৫ রান। সাথে ওভারের একদম শেষ বলে ফিরিয়ে দেন ইরফান খানকে। ৫ বলে ৪ রান করে বিদায় নেন ইরফান। ৫৯ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলে ৪ উইকেট।
পরের ওভারে অধিনায়ক লাবুশেনের বিদায়ের পর যেন ম্যাচ থেকেই ছিটকে যায় হায়দরাবাদ। ২২ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরে যান লাবুশেন। ৬৫ রানের মধ্যে ইনিংসের অর্ধেক হারিয়ে ফেলে হায়দরাবাদ। লাবুশেনকে ফিরিয়েছেন সিকান্দার রাজা।
শেষ দিকে আর কেউ সেভাবে সুবিধা করতে পারেননি। ৯ বলে ১৪ রান করেছেন হাসান খান। ১০ বলে ১০ রান করেছেন হাম্মাদ আজম। ইনিংসের ১৮তম ওভারে বোলিংয়ে ফেরেন ফিজ। উইকেট পাননি যদিও, তবে দিয়েছেন মাত্র ৩ রান। শেষ অর্থাৎ ২০তম ওভারে আবার বোলিংয়ে আসেন ফিজ। শেষ ওভারে এসে এক নো বলসহ ৭ রান দেন ফিজ, উইকেটের দেখা পাননি। ৪ ওভারে ১ উইকেট তুলেছেন, দিয়েছেন মাত্র ১৯ রান। ২০ ওভারে ১৩০ রান তুলে অলআউট হয়েছে হায়দরাবাদ। লাহোর পেয়েছে ৬৯ রানের বিশাল জয়।
What's Your Reaction?