প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে চলছে ভূমি রূপান্তর

বান্দরবানের বালাঘাটা বাকিছড়া এলাকায় প্রশাসনে নাম ভাঙিয়ে অবাধে চলছে ভূমি রূপান্তরের মহোৎসব। এসব মাটি কাটায় ইউএনও ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্তারা মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন বলে জানান খননকারী আবু তৈয়ব। স্থানীয়রা জানান, বালাঘাটার বাকিছড়া এলাকায় মাছের প্রজেক্ট তৈরির নামে দীর্ঘদিন ধরে পাশাপাশি দুইটি স্থানে অবাধে মাটি কেটে যাচ্ছেন আবু তৈয়ব নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি। এরই মধ্যে প্রায় ৫০ শতকেরও বেশি আবাদি জমির মাটি কেটে ফেলা হয়েছে। এসব মাটি কাটতে আবু তৈয়ব উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মৌখিক অনুমোদন নেওয়ার কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে নেওয়া হয়নি কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবু তৈয়ব বলেন, প্রজেক্ট তৈরি করতে ইউএনও ম্যাডাম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলে তাদের মৌখিক অনুমোদন নিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ভূমি রূপান্তরের অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার তাদের নেই। এ বিষয়ে কারো সঙ্গে কোনো প্রকার আলাপ হয়নি। এ বিষয়ে জানতে বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনিকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল ও ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েও যোগাযোগ করা

প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে চলছে ভূমি রূপান্তর

বান্দরবানের বালাঘাটা বাকিছড়া এলাকায় প্রশাসনে নাম ভাঙিয়ে অবাধে চলছে ভূমি রূপান্তরের মহোৎসব। এসব মাটি কাটায় ইউএনও ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্তারা মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন বলে জানান খননকারী আবু তৈয়ব।

স্থানীয়রা জানান, বালাঘাটার বাকিছড়া এলাকায় মাছের প্রজেক্ট তৈরির নামে দীর্ঘদিন ধরে পাশাপাশি দুইটি স্থানে অবাধে মাটি কেটে যাচ্ছেন আবু তৈয়ব নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি। এরই মধ্যে প্রায় ৫০ শতকেরও বেশি আবাদি জমির মাটি কেটে ফেলা হয়েছে। এসব মাটি কাটতে আবু তৈয়ব উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মৌখিক অনুমোদন নেওয়ার কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে নেওয়া হয়নি কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবু তৈয়ব বলেন, প্রজেক্ট তৈরি করতে ইউএনও ম্যাডাম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলে তাদের মৌখিক অনুমোদন নিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে।

বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ভূমি রূপান্তরের অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার তাদের নেই। এ বিষয়ে কারো সঙ্গে কোনো প্রকার আলাপ হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনিকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল ও ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বান্দরবান সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু সালেহ মো.আরমান ভূঁইয়া জানান, ভূমির টপসয়েল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। বিষয়টি জেনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নয়ন চক্রবর্তী/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow