প্রাণ-আরএফএল গ্রুপে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন
বিকেলে রাজধানীর প্রাণ সেন্টারের হলরুম ভরে যায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ের নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মিলনমেলায়। এক ঘণ্টার জন্য সব কাজের চাপ, চিন্তা আর পদবি ডেস্কে রেখে শুধু নিজের নারী হওয়ার পরিচয় নিয়ে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উৎসবের আমেজে মেতে ওঠেন। রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘স্টে সেফ’-এর সৌজন্যে বিকেল ৩টায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ আয়োজন করে ‘শি মিট–২০২৬’ অনুষ্ঠানের। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির সর্বস্তরের নারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) সামিয়া চৌধুরী এই আয়োজনের উদ্বোধনী ঘোষণার সময় বলেন, একটা সময় এই কোম্পানি পুরুষ-অধ্যুষিত কর্মক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। ব্যাংকের কর্মকর্তারা এসে বলতেন—আপনাদের এখানে ম্যানেজারিয়াল পদে কোনো নারী নেই। অথচ আজ এই ঘর ভর্তি নারীদের দেখে আমি খুব আনন্দিত বোধ করছি। আমরা অনেকটা এগিয়ে এসেছি। তিনি আরও বলেন, এখন এখানে শুধু ফ্যাক্টরি লেভেলে নয়, মার্কেটিং, ম্যানেজমেন্ট, ফাইন্যান্স, এক্সপোর্টসহ সব ক্ষেত্রেই নারীরা নিজ যোগ্যতায় এগিয়ে এসেছেন এবং কোম্পানিকেও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বক্তব্য শেষে সামিয়া
বিকেলে রাজধানীর প্রাণ সেন্টারের হলরুম ভরে যায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ের নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মিলনমেলায়। এক ঘণ্টার জন্য সব কাজের চাপ, চিন্তা আর পদবি ডেস্কে রেখে শুধু নিজের নারী হওয়ার পরিচয় নিয়ে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উৎসবের আমেজে মেতে ওঠেন।
রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘স্টে সেফ’-এর সৌজন্যে বিকেল ৩টায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ আয়োজন করে ‘শি মিট–২০২৬’ অনুষ্ঠানের। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির সর্বস্তরের নারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) সামিয়া চৌধুরী এই আয়োজনের উদ্বোধনী ঘোষণার সময় বলেন, একটা সময় এই কোম্পানি পুরুষ-অধ্যুষিত কর্মক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। ব্যাংকের কর্মকর্তারা এসে বলতেন—আপনাদের এখানে ম্যানেজারিয়াল পদে কোনো নারী নেই। অথচ আজ এই ঘর ভর্তি নারীদের দেখে আমি খুব আনন্দিত বোধ করছি। আমরা অনেকটা এগিয়ে এসেছি।
তিনি আরও বলেন, এখন এখানে শুধু ফ্যাক্টরি লেভেলে নয়, মার্কেটিং, ম্যানেজমেন্ট, ফাইন্যান্স, এক্সপোর্টসহ সব ক্ষেত্রেই নারীরা নিজ যোগ্যতায় এগিয়ে এসেছেন এবং কোম্পানিকেও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
বক্তব্য শেষে সামিয়া চৌধুরী কেক কেটে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপরই একটি ছোট ফটোসেশনে অংশ নেন সবাই।
প্রতি বছর এই একটি দিন শুধু নারী কর্মীদের নিয়ে উদযাপন করে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। এই উপলক্ষে নারীদের জন্য বিশেষ আয়োজনের মধ্যে থাকে সবার জন্য গিফট হ্যাম্পার, রিফ্রেশমেন্ট ও র্যাফেল ড্রয়ের ব্যবস্থা।
প্রতিটি নারীই এই অনুষ্ঠানে একেকজন ‘বিশেষ’ অতিথি। আর অতিথিদের বিনোদন ও কেনাকাটার জন্য আয়োজনের এক পাশে ছিল কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও নারীদের শখের জিনিসের স্টল। অনুষ্ঠান শুরুর আগে সহকর্মীদের সঙ্গে গল্প-আড্ডা ও শপিংয়ে মেতে ওঠেন সবাই।
২০২৬ সালের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য নিয়ে অতিথিদের সঙ্গে কথা বলেন অনুষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আরজে সুজানা। ‘রাইট, জাস্টিস অ্যান্ড অ্যাকশন’—এটিই এ বছরের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় বা থিম। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য জরুরি এই তিনটি বিষয়।
অনুষ্ঠানের এই পর্যায়ে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সেলস অ্যাডমিন ফাহিমা খাতুন।
এরপর সব নারী কর্মীর উদ্দেশে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে আজকের আয়োজনে অংশ নেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সিইও ও চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী। তিনি সব নারী কর্মীকে নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানান।
এরপর একে একে প্রাণ-আরএফএলে নিজের অভিজ্ঞতা ও নারী দিবস নিয়ে ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন মার্কেটিং বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) তানজিলা বাহার চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএলের করপোরেট ব্র্যান্ডের হেড অব সাসটেইনেবিলিটি সুমাইয়া টি. আহমেদ, মার্কেটিং বিভাগের এইচও পিএফএলের উপমহাব্যবস্থাপক তাসফিয়া সানজিদাসহ আরও অনেকে।
সুমাইয়া টি. আহমেদ বলেন, ‘আমরা নারীরা পুরো দেশের ইকোনমিক ব্যাকবোনকে সাপোর্ট করি। এখানে আমরা যারা আছি, আমাদের সবার মধ্যে একটি বিষয় কমন আছে—তা হলো আমরা সবাই প্রিভিলেজড। আমাদের দেশের সব নারী জীবনে সমান সুযোগ-সুবিধা পান না। তাই আমাদের আজকের অনুষ্ঠানের থিম ‘গিভ টু গেইন’ বিষয়টি এখানে বলতে চাই। আমাদের এই প্রিভিলেজ দিয়ে অন্য একজন নারীকে হলেও হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে আসতে হবে। তাছাড়া আমাদের এই প্রিভিলেজ বৃথা হয়ে যাবে। আমাদের শিক্ষা ও আত্মনির্ভরতা দিয়ে অন্য নারীদের কাজে আসতে হবে।’
এএমপি/এমএস
What's Your Reaction?