প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে এসে ধর্ষণের শিকার তরুণী, গ্রেপ্তার ৩

সুনামগঞ্জে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক তরুণী। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্তসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সুনামগঞ্জ শহরের বাঁধনপাড়ার সোহেল মিয়া (৩০), গনিপুরের মো. এরশাদ মিয়া (৩৪) এবং সিএনজি চালক মাসুম মিয়া (২৫)। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের ঘটনায় সহায়তাকারী ও মূল অভিযুক্তদের ধরতে বুধবার রাতে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩-৪ মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে সিলেটের বিশ্বনাথের ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরীর সঙ্গে সুনামগঞ্জের ভৈরব দাসের পরিচয় হয়। সেই টানে কিশোরী বাড়ি থেকে পালিয়ে সুনামগঞ্জ চলে আসে। তবে ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে ভৈরব সম্পর্ক রাখতে অস্বীকৃতি জানালে তার বন্ধু সিএনজি চালক সোহেল মিয়ার ওপর কিশোরীকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠানোর দায়িত্ব পড়ে। পরবর্তীতে বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক সোহেল ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় শুরু করেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ১৫-১৬ দিন নিজের বাড়িতে রেখে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন সোহেল। গত রোববার (১ মার্চ)

প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে এসে ধর্ষণের শিকার তরুণী, গ্রেপ্তার ৩

সুনামগঞ্জে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক তরুণী। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্তসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সুনামগঞ্জ শহরের বাঁধনপাড়ার সোহেল মিয়া (৩০), গনিপুরের মো. এরশাদ মিয়া (৩৪) এবং সিএনজি চালক মাসুম মিয়া (২৫)। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের ঘটনায় সহায়তাকারী ও মূল অভিযুক্তদের ধরতে বুধবার রাতে বিশেষ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩-৪ মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে সিলেটের বিশ্বনাথের ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরীর সঙ্গে সুনামগঞ্জের ভৈরব দাসের পরিচয় হয়। সেই টানে কিশোরী বাড়ি থেকে পালিয়ে সুনামগঞ্জ চলে আসে। তবে ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে ভৈরব সম্পর্ক রাখতে অস্বীকৃতি জানালে তার বন্ধু সিএনজি চালক সোহেল মিয়ার ওপর কিশোরীকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠানোর দায়িত্ব পড়ে।

পরবর্তীতে বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক সোহেল ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় শুরু করেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ১৫-১৬ দিন নিজের বাড়িতে রেখে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন সোহেল।

গত রোববার (১ মার্চ) সোহেলের মায়ের সঙ্গে কিশোরীর ঝগড়া হলে সোহেল তাকে বন্ধু এরশাদের জিম্মায় রেখে সিলেট চলে যান। কিশোরী বাড়ি ফিরে যেতে চাইলে এরশাদ ও আরেক চালক মাসুম তাকে বিশ্বনাথ পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সিএনজিতে তোলেন। পথে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ এলাকায় নির্জন স্থানে নিয়ে দিনদুপুরেই সিএনজির ভেতর কিশোরীকে ধর্ষণ করেন এরশাদ। এসময় মাসুম পাহাড়াদারের ভূমিকা পালন করেন।

ধর্ষণের শিকার কিশোরী নিজেই বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. জহির হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছি এবং ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়েছে। ভিকটিম আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

সুনামগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাতক চাকমা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে কিশোরীটি জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিশু সুরক্ষা বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow