প্রেমের বিয়ের দুই মাসের মাথায় গলায় ফাঁস দিয়ে তরুণীর মৃত্যু

প্রেমের সম্পর্কের পর পরিবারের অমতে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু সেই বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছেন সাদিয়া সাবরিন বৃষ্টি (১৯) নামে এক তরুণী। ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের বইশের চর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বৃষ্টি পোগলদিঘা কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি একই ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামের নূরুল ইসলাম কালুর মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বইশের চর গ্রামের বাবলু মিয়ার ছেলে জাহিদুল হাসান জনির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের পর প্রায় দুই মাস আগে বৃষ্টির বিয়ে হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, বৃষ্টি মেধাবী ও খেলাধুলায় পারদর্শী ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্বামীর সঙ্গে কোনো বিষয় নিয়ে মান-অভিমানের জেরে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বৃষ্টির শাশুড়ি সুলতানা বেগম জানান, রোববার দুপুরে পুত্রবধূকে বাড়িতে রেখে তিনি ছোট ছেলেকে স্কুল থেকে আনতে যান। পরে বাড়িতে ফিরে বৃষ্টির খোঁজ করতে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখেন। তার চিৎকার শুন

প্রেমের বিয়ের দুই মাসের মাথায় গলায় ফাঁস দিয়ে তরুণীর মৃত্যু

প্রেমের সম্পর্কের পর পরিবারের অমতে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু সেই বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছেন সাদিয়া সাবরিন বৃষ্টি (১৯) নামে এক তরুণী। ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের বইশের চর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বৃষ্টি পোগলদিঘা কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি একই ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামের নূরুল ইসলাম কালুর মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বইশের চর গ্রামের বাবলু মিয়ার ছেলে জাহিদুল হাসান জনির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের পর প্রায় দুই মাস আগে বৃষ্টির বিয়ে হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, বৃষ্টি মেধাবী ও খেলাধুলায় পারদর্শী ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্বামীর সঙ্গে কোনো বিষয় নিয়ে মান-অভিমানের জেরে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

বৃষ্টির শাশুড়ি সুলতানা বেগম জানান, রোববার দুপুরে পুত্রবধূকে বাড়িতে রেখে তিনি ছোট ছেলেকে স্কুল থেকে আনতে যান। পরে বাড়িতে ফিরে বৃষ্টির খোঁজ করতে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখেন। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ থানায় আনা হয়েছে এবং মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে প্রেমের বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow