প্রেমের সম্পর্কের জেরে হত্যা, একজনের মৃত্যুদণ্ড

জামালপুরে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে সংঘটিত এক হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আরিফুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড এবং হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার দায়ে আরফিন আক্তার তিশা ও লাভলী বেগমকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মো. নেজাম উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালে জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার গফুর কাজীর ছেলে শিপন কাজীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচার চলাকালে আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ ও শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম দিদার বলেন, মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পে

প্রেমের সম্পর্কের জেরে হত্যা, একজনের মৃত্যুদণ্ড

জামালপুরে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে সংঘটিত এক হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আরিফুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড এবং হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার দায়ে আরফিন আক্তার তিশা ও লাভলী বেগমকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মো. নেজাম উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালে জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার গফুর কাজীর ছেলে শিপন কাজীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচার চলাকালে আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ ও শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম দিদার বলেন, মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।

হৃদয় আহম্মেদ/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow