ফরিদপুরে ব্যতিক্রমী টি-১০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের সুইজগেটপার মাঠে নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই শুরু হয় ব্যতিক্রমী টি-১০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। এ এলাকার তরুণ যুবসমাজের উদ্যোগে আয়োজিত টুর্নামেন্টে মোট ১২টি দল অংশগ্রহণ করে। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকালে টুর্নামেন্টটির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মাঠটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। শুরু থেকেই টুর্নামেন্টটি স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয় শুক্রবার (২৩ তারিখ) বিকেলে। আকোটের চর ইয়াং স্টার ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে গাবতলা স্পোর্টিং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে এবং শৈলডুবী ক্রীড়া চক্র রানার আপ হয়।  ফাইনাল ম্যাচে আশিক ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন। চ্যাম্পিয়ন দলকে ১৫ হাজার টাকা এবং রানার আপ দলকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার প্রদান করা হয়। ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় দিক ছিল পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ। প্রতিটি ম্যাচে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত খেলোয়াড়কে পুরস্কার হিসেবে একটি করে মহামূল্যবান গাছের চারা প্রদান করা হয়। আ

ফরিদপুরে ব্যতিক্রমী টি-১০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের সুইজগেটপার মাঠে নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই শুরু হয় ব্যতিক্রমী টি-১০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। এ এলাকার তরুণ যুবসমাজের উদ্যোগে আয়োজিত টুর্নামেন্টে মোট ১২টি দল অংশগ্রহণ করে।

বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকালে টুর্নামেন্টটির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মাঠটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। শুরু থেকেই টুর্নামেন্টটি স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয় শুক্রবার (২৩ তারিখ) বিকেলে। আকোটের চর ইয়াং স্টার ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে গাবতলা স্পোর্টিং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে এবং শৈলডুবী ক্রীড়া চক্র রানার আপ হয়। 

ফাইনাল ম্যাচে আশিক ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন। চ্যাম্পিয়ন দলকে ১৫ হাজার টাকা এবং রানার আপ দলকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার প্রদান করা হয়।

ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় দিক ছিল পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ। প্রতিটি ম্যাচে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত খেলোয়াড়কে পুরস্কার হিসেবে একটি করে মহামূল্যবান গাছের চারা প্রদান করা হয়। আয়োজকদের এই উদ্যোগ ক্রীড়াঙ্গনের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার বার্তাও ছড়িয়ে দিয়েছে।

খেলাটির আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ ছিল দর্শকদের অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগ। ছক্কা হাঁকানো বল এক হাতে ক্যাচ ধরতে পারলে তাৎক্ষণিক পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। খেলা চলাকালে দর্শকদের মধ্য থেকে একজন এক হাতে চমৎকার ক্যাচ ধরে ৫০০ টাকা নগদ পুরস্কার পান। এই ব্যতিক্রমী আয়োজন মাঠে উপস্থিত দর্শকদের মাঝে বাড়তি উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।

ফাইনাল ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএর উপপরিচালক রফিকুল ইসলাম। তিনি কালবেলাকে বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার এমন আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণরা যদি মোবাইল ও মাদক থেকে সরে এসে মাঠের খেলায় মনোযোগ দেয়, তাহলে একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ে উঠবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ মেম্বার, লতিফ বেপারিসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা এমন ক্রীড়া আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তরুণদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান।

টুর্নামেন্টটির সার্বিক আয়োজনে ছিলেন ইয়াং স্টার ক্লাবের সদস্য ইয়াদ মোল্লা, বাশার, উজ্জ্বল, সজীব, তানজিল, মোস্তাক, সোহেল, রাব্বি, তুষার, আরিফসহ আরও অনেকে। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এই ধরনের ক্রীড়া আয়োজন চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow