ফরিদপুরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ১০ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, নিহত ১
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নদীর দুই পাড়ের প্রায় ১০ গ্রামবাসীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া কমপক্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকা বরিশাল মহাসড়কের উপর এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার তানসিভ জোবায়ের নাদিম। নিহত সুমন (১৮) কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মিলন বাবুর্চি বাড়ির বাসিন্দা। জানা যায়, হাসামদিয়া গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার জের ধরে সন্ধ্যার দিকে সংঘর্ষের শুরু হয়। পরে প্রায় ১০ গ্রামের হাজার হাজার জনতা সঙ্গবদ্ধ হয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়ক ও খুলনা-ঢাকা মহাসড়ক সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এতে অনেক দূরপাল্লার গাড়ি সারিবদ্ধভাবে আটকা পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নদীর দুই পাড়ের প্রায় ১০ গ্রামবাসীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া কমপক্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকা বরিশাল মহাসড়কের উপর এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার তানসিভ জোবায়ের নাদিম।
নিহত সুমন (১৮) কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মিলন বাবুর্চি বাড়ির বাসিন্দা।
জানা যায়, হাসামদিয়া গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার জের ধরে সন্ধ্যার দিকে সংঘর্ষের শুরু হয়। পরে প্রায় ১০ গ্রামের হাজার হাজার জনতা সঙ্গবদ্ধ হয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়ক ও খুলনা-ঢাকা মহাসড়ক সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এতে অনেক দূরপাল্লার গাড়ি সারিবদ্ধভাবে আটকা পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।
খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
What's Your Reaction?