ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না
ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ভোট পাহারা নিশ্চিত করতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। রেজাল্ট শিট হাতে নিয়েই কেন্দ্র থেকে বের হতে হবে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দিনগত রাতে সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের জয়কালী এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনি উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শামা ওবায়েদ বলেন, ভোট পাহারা দিতে হবে ২৪ ঘণ্টা। যার যার কেন্দ্রের ভোট সেই কেন্দ্রের মানুষই পাহারা দেবেন। এক কেন্দ্রের মানুষ অন্য কেন্দ্রে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। দীর্ঘ ১৮ বছরের সংগ্রাম ও নির্যাতনের পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। এই ভোটের মাধ্যমেই স্বাধীনভাবে পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্য দিয়েই দেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এই দিনটিকে কোনোভাবেই হেলা-ফেলা করা যাবে না। ধানের শীষের একটি ভোটও যেন নষ্ট না হয়, এটা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে হলে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মাদককে ‘না’ বলত
ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ভোট পাহারা নিশ্চিত করতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। রেজাল্ট শিট হাতে নিয়েই কেন্দ্র থেকে বের হতে হবে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দিনগত রাতে সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের জয়কালী এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনি উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, ভোট পাহারা দিতে হবে ২৪ ঘণ্টা। যার যার কেন্দ্রের ভোট সেই কেন্দ্রের মানুষই পাহারা দেবেন। এক কেন্দ্রের মানুষ অন্য কেন্দ্রে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। দীর্ঘ ১৮ বছরের সংগ্রাম ও নির্যাতনের পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। এই ভোটের মাধ্যমেই স্বাধীনভাবে পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্য দিয়েই দেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এই দিনটিকে কোনোভাবেই হেলা-ফেলা করা যাবে না। ধানের শীষের একটি ভোটও যেন নষ্ট না হয়, এটা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে হলে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মাদককে ‘না’ বলতে হবে। যারা চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং যারা মাদক সেবন করে,তাদের সালথা থেকে নির্মূল করতে হবে।
এ সময় সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসাদ মাতুব্বর, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এন কে বি নয়ন/কেএইচকে/এমএস
What's Your Reaction?