ফাইনালের সেই মিস এখনো ভুলতে পারছেন না আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে শেষ মুহূর্তে সমতাসূচক গোলের একেবারে কাছাকাছি গিয়েও সফল হতে পারেননি মার্কোস সেনেসি। নিজ শহর কনকোরদিয়ায় ফিরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি স্বীকার করেছেন, সেই মুহূর্তটি এখনও তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়। সেনেসি বলেন, ‘যখন দেখি জুলিয়ানো (সিমেওনে) বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আমার প্রথম চিন্তা ছিল সামনে উঠে যাওয়া। এরপর কুবার্সি অবিশ্বাস্য একটি ট্যাকল করে। আমি দুই খেলোয়াড়ের মাঝে ছিলাম, আর সেই দৃশ্যটা এখনও মাথা থেকে যাচ্ছে না। আমি জানি, আমি মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার দূরে ছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, সেই কয়েক সেন্টিমিটার আমাদের পক্ষে ছিল না।’ ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ফেরান তোরেস স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনা সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু পাউ কুবার্সির দুর্দান্ত হস্তক্ষেপে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং স্পেন শিরোপা নিশ্চিত করে। বিশ্বকাপের মূল দলে শেষ মুহূর্তে লিওনার্দো বালের্দির চোটের কারণে সুযোগ পাওয়া সেনেসি নিজ শহরে ফিরে হাজারো মানুষের সংবর্ধনা পান। অনুষ্ঠানে আবেগঘন
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে শেষ মুহূর্তে সমতাসূচক গোলের একেবারে কাছাকাছি গিয়েও সফল হতে পারেননি মার্কোস সেনেসি। নিজ শহর কনকোরদিয়ায় ফিরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি স্বীকার করেছেন, সেই মুহূর্তটি এখনও তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়।
সেনেসি বলেন, ‘যখন দেখি জুলিয়ানো (সিমেওনে) বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আমার প্রথম চিন্তা ছিল সামনে উঠে যাওয়া। এরপর কুবার্সি অবিশ্বাস্য একটি ট্যাকল করে। আমি দুই খেলোয়াড়ের মাঝে ছিলাম, আর সেই দৃশ্যটা এখনও মাথা থেকে যাচ্ছে না। আমি জানি, আমি মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার দূরে ছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, সেই কয়েক সেন্টিমিটার আমাদের পক্ষে ছিল না।’
ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ফেরান তোরেস স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনা সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু পাউ কুবার্সির দুর্দান্ত হস্তক্ষেপে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং স্পেন শিরোপা নিশ্চিত করে।
বিশ্বকাপের মূল দলে শেষ মুহূর্তে লিওনার্দো বালের্দির চোটের কারণে সুযোগ পাওয়া সেনেসি নিজ শহরে ফিরে হাজারো মানুষের সংবর্ধনা পান।
অনুষ্ঠানে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘তোমরা সবাই এখানে এসেছ, এতে আমি ভীষণ আনন্দিত। কখনও ভাবিনি এমন অভিজ্ঞতা হবে। নিজের শহরে ফিরে এভাবে অভ্যর্থনা পাওয়া সত্যিই অবিশ্বাস্য। তোমাদের সবার প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’
যদিও বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁয়ে দেখা হয়নি, তবুও নিজের শহরে ফিরে মানুষের ভালোবাসা ও সর্বোচ্চ সম্মান পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আর্জেন্টাইন এই ডিফেন্ডার।
আরআর/এমএমআর
What's Your Reaction?