ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র সায়েম নিহত
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ঘটনার জেরে সহপাঠীকে ছুরিকাঘাতে আব্দুল্লাহ মুস্তাকিম সায়েম (১৫) নামে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার একটি স্থানীয় মাঠে এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে উপজেলার একটি মাঠে স্থানীয় কিশোরদের মধ্যে একটি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলা চলাকালীন একটি ফাউল এবং গোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের খেলোয়াড় ও সহপাঠীদের মধ্যে বাগ্ বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে মাঠে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে উপস্থিত অন্যরা বিষয়টি মীমাংসা করে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয় বলে মনে হয়েছিল। স্থানীয়রা জানান, মাঠের বিরোধ আপাতদৃষ্টিতে মিটে গেলেও সন্ধ্যার দিকে প্রতিপক্ষ গ্রুপের কয়েকজন কিশোর সায়েমের ওপর পুনরায় চড়াও হয়। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তারা সায়েমকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে বুকে ও পেটে গুরুতর জখম হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাঠে লুটিয়ে পড়ে
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ঘটনার জেরে সহপাঠীকে ছুরিকাঘাতে আব্দুল্লাহ মুস্তাকিম সায়েম (১৫) নামে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার একটি স্থানীয় মাঠে এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে উপজেলার একটি মাঠে স্থানীয় কিশোরদের মধ্যে একটি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলা চলাকালীন একটি ফাউল এবং গোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের খেলোয়াড় ও সহপাঠীদের মধ্যে বাগ্ বিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে মাঠে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে উপস্থিত অন্যরা বিষয়টি মীমাংসা করে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয় বলে মনে হয়েছিল। স্থানীয়রা জানান, মাঠের বিরোধ আপাতদৃষ্টিতে মিটে গেলেও সন্ধ্যার দিকে প্রতিপক্ষ গ্রুপের কয়েকজন কিশোর সায়েমের ওপর পুনরায় চড়াও হয়। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তারা সায়েমকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে বুকে ও পেটে গুরুতর জখম হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাঠে লুটিয়ে পড়ে সায়েম। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে সায়েমকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। নিহত আব্দুল্লাহ মুস্তাকিম সায়েম স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র ছিল। তার এই অকাল ও নৃশংস মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার, বিদ্যালয় এবং পুরো এলাকাজুড়ে শোকের মাতম শুরু হয়। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে মা-বাবা বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। সহপাঠীদের অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়ে এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ঘটনার পর পরই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। খবর পেয়ে সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থল এবং হাসপাতাল পরিদর্শন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান জানান, খেলার মাঠের একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি। ঘটনার সাথে জড়িত কিশোরদের শনাক্ত করা হয়েছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। অপরাধী যত কম বয়সীই হোক না কেন, আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সামান্য খেলাধুলার বিরোধ থেকে সহপাঠীকে খুনের এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় সচেতন মহল।
What's Your Reaction?