ফেসবুক লাইভে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে বিষপানে আত্মহত্যা চেষ্টা

চট্টগ্রাম নগরের বক্সিরহাট এলাকার এক ব্যবসায়ী ফেসবুক লাইভে এসে কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিষপান করেছেন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই ব্যবসায়ীর নাম স্বপন ঘোষ। তিনি বক্সিরহাট এলাকার ‘স্বপন ঘোষ অ্যান্ড সন্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে জানা গেছে। শুক্রবার (১৯ জুন) নিজ বাসা থেকে ফেসবুক লাইভে এসে বিষপান করেন স্বপন ঘোষ। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে ভর্তি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে চমেক পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক নুরুল আলম আশেক বলেন, শুক্রবার (১৯ জুন) বক্সিরহাট এলাকার নিজ বাসায় ফেসবুক লাইভে এসে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন স্বপন ঘোষ নামের এক ব্যবসায়ী। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভর্তি করান। ফেসবুক লাইভে স্বপন ঘোষ স্থানীয় তিন ব্যক্তি শমসের আলী, আইয়ুব আলী ও শাহাদাত আলীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের পর তার কাছে ভাড়ার নামে অর্থ দাবি করা হয়েছিল। তিনি তাতে রাজি না হওয়ায় তাকে ‘নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ’ এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভি

ফেসবুক লাইভে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে বিষপানে আত্মহত্যা চেষ্টা

চট্টগ্রাম নগরের বক্সিরহাট এলাকার এক ব্যবসায়ী ফেসবুক লাইভে এসে কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিষপান করেছেন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ওই ব্যবসায়ীর নাম স্বপন ঘোষ। তিনি বক্সিরহাট এলাকার ‘স্বপন ঘোষ অ্যান্ড সন্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) নিজ বাসা থেকে ফেসবুক লাইভে এসে বিষপান করেন স্বপন ঘোষ। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে ভর্তি করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চমেক পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক নুরুল আলম আশেক বলেন, শুক্রবার (১৯ জুন) বক্সিরহাট এলাকার নিজ বাসায় ফেসবুক লাইভে এসে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন স্বপন ঘোষ নামের এক ব্যবসায়ী। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভর্তি করান।

ফেসবুক লাইভে স্বপন ঘোষ স্থানীয় তিন ব্যক্তি শমসের আলী, আইয়ুব আলী ও শাহাদাত আলীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন।

তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের পর তার কাছে ভাড়ার নামে অর্থ দাবি করা হয়েছিল। তিনি তাতে রাজি না হওয়ায় তাকে ‘নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ’ এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ এনে পাঁচ মাস কারাভোগ করতে হয়েছে।

লাইভে তিনি আরও দাবি করেন, দোকানটির প্রকৃত মালিক নূর নাহার বেগম নামের একজন নারী। তিনি কারাগারে থাকার সময় তার স্ত্রীকে দিয়ে দোকান ভাড়ার একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করানো হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এটিকে ভাড়া নয়, চাঁদা হিসেবে দিতে হবে বলে জানান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিষপানের আগে সম্প্রচারিত ওই লাইভে স্বপন ঘোষ তার মৃত্যুর জন্য উল্লিখিত তিন ব্যক্তিকে দায়ী করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, স্বপন ঘোষ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এমআরএএইচ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow