ফেসবুকে স্ট্যাটাস নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২০

কুষ্টিয়ার খোকসায় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের বনগ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিমুল বিশ্বাসের ছেলে রনি এবং নবীনের ছেলে শিপলুর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এই ঘটনার জেরে শুক্রবার সকালে বনগ্রামের দুই প্রভাবশালী বিএনপি নেতা—স্কুল শিক্ষক সামছুজ্জামান তুহিন এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা সালাম লুলুর সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় চলা এই হামলা ও পাল্টা হামলায় দুই পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। এদের মধ্যে রন বিশ্বাসসহ তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন বনগ্রামের ৬টি বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। বনগ্রামের বিএনপি নেতা ও স্কুল শিক্ষক সামছুজ্জামান তুহিন

ফেসবুকে স্ট্যাটাস নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২০

কুষ্টিয়ার খোকসায় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের বনগ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিমুল বিশ্বাসের ছেলে রনি এবং নবীনের ছেলে শিপলুর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এই ঘটনার জেরে শুক্রবার সকালে বনগ্রামের দুই প্রভাবশালী বিএনপি নেতা—স্কুল শিক্ষক সামছুজ্জামান তুহিন এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা সালাম লুলুর সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

দফায় দফায় চলা এই হামলা ও পাল্টা হামলায় দুই পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। এদের মধ্যে রন বিশ্বাসসহ তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন বনগ্রামের ৬টি বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বনগ্রামের বিএনপি নেতা ও স্কুল শিক্ষক সামছুজ্জামান তুহিন জানান, তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ তার লোকদের ওপর হামলা করেছে। হামলার তার পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন। তার কর্মী শান্ত বিশ্বাসের ছেলে রন বিশ্বাসের অবস্থা গুরুতর হওয়া তাকে কুষ্টিয়ায় রেফার্ড করা হয়েছে। তিনি মামলা করবেন।

অপরদিকে বিএনপি নেতা আবু হেনা মোস্তফা সালাম লুলু পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, হামলায় তার প্রায় ৭ জন কর্মী আহত হয়েছে। এসব কর্মীদের বাড়ি ঘরও তারা ভাঙচুর করেছে।

খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত আছে। সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আল-মামুন সাগর/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow