ফোনে ডেকে নেওয়ার পর নিখোঁজ, বাঁশের মাচায় মিলল মরদেহ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ এলাকা থেকে সামিরুল শাহ (৬০) নামে এক চা বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার শরীর ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ব্যাংগাড়ি-ধর্মদহ সড়কের পাশে একটি মাঠের মধ্যে থাকা বাঁশের মাচায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত সামিরুল শাহ তেকালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত বিশারদ শাহের ছেলে। তিনি পেশায় চা বিক্রেতা ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পার্শ্ববর্তী মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা থেকে এসে এই এলাকায় বসবাস করছে। নিহতের বড় ছেলে সাঈদ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তিনি, তার বাবা ও দুই মামা বড়গাংদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে কাজ শেষে ফেরার পথে তারাগুনিয়া থানা মোড়ে একই এলাকার মুন্টু (৫০) ফোন করে তার বাবাকে দেখা করতে ডাকেন। পরে আবার ফোন পেয়ে তার বাবা পরিবারের সদস্যদের বাড়ি যেতে বলে মুন্টুর সঙ্গে চলে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল বন্
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ এলাকা থেকে সামিরুল শাহ (৬০) নামে এক চা বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার শরীর ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ব্যাংগাড়ি-ধর্মদহ সড়কের পাশে একটি মাঠের মধ্যে থাকা বাঁশের মাচায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত সামিরুল শাহ তেকালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত বিশারদ শাহের ছেলে। তিনি পেশায় চা বিক্রেতা ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পার্শ্ববর্তী মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা থেকে এসে এই এলাকায় বসবাস করছে।
নিহতের বড় ছেলে সাঈদ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তিনি, তার বাবা ও দুই মামা বড়গাংদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে কাজ শেষে ফেরার পথে তারাগুনিয়া থানা মোড়ে একই এলাকার মুন্টু (৫০) ফোন করে তার বাবাকে দেখা করতে ডাকেন। পরে আবার ফোন পেয়ে তার বাবা পরিবারের সদস্যদের বাড়ি যেতে বলে মুন্টুর সঙ্গে চলে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। সন্ধ্যা ও রাতে মুন্টুর কাছে বাবার খোঁজ জানতে চাইলেও তিনি কোনো সদুত্তর দেননি। শুক্রবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, ধর্মদহ গ্রামে রাস্তার পাশের একটি বাঁশের মাচায় সামিরুলের মরদেহ পড়ে রয়েছে। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ধর্মদহ এলাকায় সামিরুল শাহ নামে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
পুলিশ জানায়, সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। একইসঙ্গে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
What's Your Reaction?