ফ্যাসিবাদের দোসর সিএজি নূরুল ইসলামের অবিলম্বে অপসারণ দাবি
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মোহাম্মদপুর থানায় ছাত্র হত্যা মামলার আসামি ও কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিট জেনারেল (সিএজি) নূরুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সচেতন নাগরিক ফোরাম। শনিবার (১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন- বিশিষ্ট সমাজসেবক ও জুলাই যোদ্ধা কর্নেল (অব.) ফেরদৌস আজিজ, পিএসসিজি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- শ্রমিক নেতা মাহবুব আলম বাদল, মো. আলী হোসেন ও ফিরোজ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- সচেতন নাগরিক ফোরামের সভাপতি সাইফুল ইসলাম।
মানববন্ধনে বক্তারা অনতিবলম্বে প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোর দাবি জানায় ফ্যাসিস্টের দোসর সিএজি নূরুল ইসলামের অপসারণ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার বিচারের দাবি জানান।
তারা বলেন, ২০০৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনার দোসর সাংবিধানিক পদের প্রধানদের অনেকেই স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে পালিয়েছে। কেউ আবার আত্মগোপনে আছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সিএজি (কন্ট্রোলার এন্ড অডিট জেনারেল) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ।
এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো- সরকারের আর্থিক কর
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মোহাম্মদপুর থানায় ছাত্র হত্যা মামলার আসামি ও কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিট জেনারেল (সিএজি) নূরুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সচেতন নাগরিক ফোরাম। শনিবার (১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন- বিশিষ্ট সমাজসেবক ও জুলাই যোদ্ধা কর্নেল (অব.) ফেরদৌস আজিজ, পিএসসিজি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- শ্রমিক নেতা মাহবুব আলম বাদল, মো. আলী হোসেন ও ফিরোজ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- সচেতন নাগরিক ফোরামের সভাপতি সাইফুল ইসলাম।
মানববন্ধনে বক্তারা অনতিবলম্বে প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোর দাবি জানায় ফ্যাসিস্টের দোসর সিএজি নূরুল ইসলামের অপসারণ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার বিচারের দাবি জানান।
তারা বলেন, ২০০৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনার দোসর সাংবিধানিক পদের প্রধানদের অনেকেই স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে পালিয়েছে। কেউ আবার আত্মগোপনে আছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সিএজি (কন্ট্রোলার এন্ড অডিট জেনারেল) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ।
এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো- সরকারের আর্থিক কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে বর্তমান নিয়োগকৃত সিএজি নূরুল ইসলাম চাটুকারিতা দুর্নীতি অযোগ্যতার মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হন।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের সুবিধার্থে তাকে এই পদে বসানো হয়েছিল। ফলে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পরও তিনি বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন।
সচেতন নাগরিক ফোরামের নেতাদের দাবি- নূরুল ইসলাম একমাত্র সিএজি যিনি কর্মকর্তাদের নিয়ে টুঙ্গিপাড়া ও ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে ফুল দিতে যেতে বাধ্য করতেন। শুধু তাই নয়, সরকারি অর্থে ব্যাপক আয়োজনের মাধ্যমে ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী ও জন্মদিন, শেখ কামালের জন্মদিন, শেখ রাসেলের জন্মদিন, শেখ রাসেল দিবসসহ মুজিব পরিবারের বিভিন্ন জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী নিয়মিত কেক কাটা ও দোয়ার আয়োজনের মাধ্যমে উৎযাপন করতেন।
বক্তারা বলেন, এসব অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হতো। এছাড়াও শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে রক্তদান কর্মসূচি অডিট ভবনের নিচতলায় শেখ মুজিব কর্নার স্থাপন সি এ জি কার্যালয়ের সামনে সেবা প্রার্থীদের অপেক্ষার স্থান সংকুচিত করে শেখ মুজিবের মুরাল নির্মাণ সামাজিক ও যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পোস্ট দেওয়ার প্রতিযোগিতা করতেন।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি সকল কর্মকর্তাদের ডেকে ফেসবুক প্রোফাইল কালো করার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জাতীয়তাবাদী আদর্শের কর্মকর্তারা সেই নির্দেশ না মানলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
অতএব, প্রধানমন্ত্রীর নিকট সচেতন নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে বিনীত আবেদন এই দুর্নীতিবাজ শেখ হাসিনার দোসর সিএজির নূরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ চাকুরি থেকে অপসারণ করুন।