ফ্রান্সের কাছে হারের পর বুনো, ‘ওরা আমাদের সব দিক থেকেই ছাপিয়ে গেছে’

ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে মরক্কো। ম্যাচ শেষে ডিএসপোর্টসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো স্বীকার করেছেন, ফ্রান্স ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী দল এবং তাদের বিপক্ষে মরক্কো নিজেদের সেরাটা খেলতে পারেনি। বুনো বলেন, ‘আমরা একটি শক্তিশালী দলের মুখোমুখি হয়েছিলাম। এটাই বাস্তবতা। তারা আমাদের সব দিক থেকেই ছাপিয়ে গেছে। আমরা কোনো সুবিধা আদায় করতে পারিনি। এটি মেনে নিয়ে আবার নতুন করে কাজ শুরু করতে হবে। প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানাই।’ মরক্কোর পরিকল্পনা কেন সফল হয়নি, সে ব্যাখ্যাও দেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক, ‘প্রতিটি ম্যাচেই আমরা একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে হারিয়েছি। আজ আমরা ম্যাচটিকে ওপেন বা এন্ড-টু-এন্ড করতে পারিনি, কারণ শারীরিকভাবে তারা আমাদের চেয়ে এগিয়ে ছিল। আমাদের পরিকল্পনা ছিল বলের নিয়ন্ত্রণ রেখে রক্ষণ সামলানো, কিন্তু আমরা নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারিনি। বিশ্বকাপে, বিশেষ করে ফ্রান্সের মতো দলের বিপক্ষে, ভুলের কোনো ক্ষমা নেই।’ ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বুনো মনে করিয়ে দেন, এই দলটি কঠিন সময় পেরিয়ে আবারও নিজেদের গড়ে তুলেছিল, ‘আমরা যে

ফ্রান্সের কাছে হারের পর বুনো, ‘ওরা আমাদের সব দিক থেকেই ছাপিয়ে গেছে’

ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে মরক্কো। ম্যাচ শেষে ডিএসপোর্টসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো স্বীকার করেছেন, ফ্রান্স ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী দল এবং তাদের বিপক্ষে মরক্কো নিজেদের সেরাটা খেলতে পারেনি।

বুনো বলেন, ‘আমরা একটি শক্তিশালী দলের মুখোমুখি হয়েছিলাম। এটাই বাস্তবতা। তারা আমাদের সব দিক থেকেই ছাপিয়ে গেছে। আমরা কোনো সুবিধা আদায় করতে পারিনি। এটি মেনে নিয়ে আবার নতুন করে কাজ শুরু করতে হবে। প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানাই।’

মরক্কোর পরিকল্পনা কেন সফল হয়নি, সে ব্যাখ্যাও দেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক, ‘প্রতিটি ম্যাচেই আমরা একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে হারিয়েছি। আজ আমরা ম্যাচটিকে ওপেন বা এন্ড-টু-এন্ড করতে পারিনি, কারণ শারীরিকভাবে তারা আমাদের চেয়ে এগিয়ে ছিল। আমাদের পরিকল্পনা ছিল বলের নিয়ন্ত্রণ রেখে রক্ষণ সামলানো, কিন্তু আমরা নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারিনি। বিশ্বকাপে, বিশেষ করে ফ্রান্সের মতো দলের বিপক্ষে, ভুলের কোনো ক্ষমা নেই।’

ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বুনো মনে করিয়ে দেন, এই দলটি কঠিন সময় পেরিয়ে আবারও নিজেদের গড়ে তুলেছিল, ‘আমরা যেন ভুলে না যাই, আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে কঠিন সময় কাটানোর পর এই দলটি মানসিকভাবে নিজেদের নতুন করে গড়ে তুলেছিল। এবার আমরা খুব শক্তিশালী এক প্রতিপক্ষের কাছে হেরেছি।”

এমবাপের পেনাল্টি যেভাবে ঠেকালেন

প্রথমার্ধে ম্যাচ তখনও গোলশূন্য। সেই সময় কিলিয়ান এমবাপের নেওয়া পেনাল্টি দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন বোনো। ম্যাচ শেষে সেই মুহূর্তের পরিকল্পনাও জানিয়েছেন তিনি, ‘সত্যি বলতে, আমার পরিকল্পনা ছিল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করা, যাতে এমবাপে দ্বিধায় পড়ে। তারপর শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিই। সৌভাগ্যবশত সেটা কাজ করেছে।’

পেনাল্টি ঠেকানোর নিজের দর্শন নিয়েও কথা বলেন মরক্কোর এই তারকা গোলরক্ষক, ‘আমি সব সময় বলি, পেনাল্টিতে ভাগ্যেরও বড় ভূমিকা থাকে। অনুশীলন অবশ্যই করি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের ক্ষমতার ওপরও ভরসা রাখতে হয়।’

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow