ফ্রিজে খাবার গুছিয়ে রাখার সঠিক উপায়
রান্নাঘর পরিষ্কার ও গোছানো রাখার ক্ষেত্রে ফ্রিজের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় খাবার, ফল, সবজি, দুধ বা রান্না করা খাবার, সবকিছুই ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু ফ্রিজ ঠিকভাবে পরিষ্কার না রাখলে খাবার দ্রুত নষ্ট হতে পারে, দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে এবং খাবারের অপচয়ও বেড়ে যায়। তাই শুধু খাবার ভরে রাখলেই হবে না, সঠিক নিয়মে ফ্রিজ পরিষ্কার ও গুছিয়ে রাখাও জরুরি। কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে ফ্রিজ সবসময় পরিষ্কার থাকবে এবং খাবারও দীর্ঘদিন সতেজ থাকবে। ফ্রিজ সম্পূর্ণ খালি করুন ফ্রিজ পরিষ্কার করার প্রথম ধাপ হলো সেটি পুরোপুরি খালি করা। ফ্রিজের প্রতিটি তাক, ড্রয়ার এবং দরজায় রাখা সব খাবার বের করে আলাদা জায়গায় রাখুন। এরপর প্রতিটি খাবারের মেয়াদ বা এক্সপায়ারি ডেট পরীক্ষা করুন। পচে যাওয়া ফল, পুরোনো সস বা মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দিন। এতে ফ্রিজে অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমে থাকবে না এবং পরিষ্কার করাও সহজ হবে। কোন তাকে কী রাখবেন ফ্রিজের প্রতিটি অংশের তাপমাত্রা একরকম নয়। তাই খাবারও সঠিক জায়গায় রাখা জরুরি। ফ্রিজের দরজার অংশ সবচেয়ে কম ঠান্ডা থাকে। তাই এখানে দুধ বা কাঁচা খাবার না রেখে সস আচ
রান্নাঘর পরিষ্কার ও গোছানো রাখার ক্ষেত্রে ফ্রিজের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় খাবার, ফল, সবজি, দুধ বা রান্না করা খাবার, সবকিছুই ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু ফ্রিজ ঠিকভাবে পরিষ্কার না রাখলে খাবার দ্রুত নষ্ট হতে পারে, দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে এবং খাবারের অপচয়ও বেড়ে যায়।
তাই শুধু খাবার ভরে রাখলেই হবে না, সঠিক নিয়মে ফ্রিজ পরিষ্কার ও গুছিয়ে রাখাও জরুরি। কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে ফ্রিজ সবসময় পরিষ্কার থাকবে এবং খাবারও দীর্ঘদিন সতেজ থাকবে।
ফ্রিজ সম্পূর্ণ খালি করুন
ফ্রিজ পরিষ্কার করার প্রথম ধাপ হলো সেটি পুরোপুরি খালি করা। ফ্রিজের প্রতিটি তাক, ড্রয়ার এবং দরজায় রাখা সব খাবার বের করে আলাদা জায়গায় রাখুন। এরপর প্রতিটি খাবারের মেয়াদ বা এক্সপায়ারি ডেট পরীক্ষা করুন। পচে যাওয়া ফল, পুরোনো সস বা মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দিন। এতে ফ্রিজে অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমে থাকবে না এবং পরিষ্কার করাও সহজ হবে।
কোন তাকে কী রাখবেন
ফ্রিজের প্রতিটি অংশের তাপমাত্রা একরকম নয়। তাই খাবারও সঠিক জায়গায় রাখা জরুরি। ফ্রিজের দরজার অংশ সবচেয়ে কম ঠান্ডা থাকে। তাই এখানে দুধ বা কাঁচা খাবার না রেখে সস আচার, জ্যাম, জেলি, মাখন বা পানীয় রাখাই ভালো। যেসব জিনিস বারবার ব্যবহার করা হয়, সেগুলোও দরজার তাকে রাখলে সহজে পাওয়া যায়।
রান্না করা খাবার রাখুন ওপরের তাকে
রেডি-টু-ইট বা রান্না করা খাবার সবসময় ওপরের তাকে রাখা উচিত। এতে খাবার চোখের সামনে থাকে এবং সময়মতো গরম করে খেয়ে নেওয়া সহজ হয়। পাশাপাশি রান্না করা খাবার কাঁচা খাবারের সংস্পর্শে আসে না, ফলে দূষণের ঝুঁকিও কমে।
দুগ্ধজাত খাবারের জন্য মাঝের তাক
দই, পনির, চিজ, মিষ্টি বা অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার মাঝের তাকে রাখা সবচেয়ে ভালো। এই অংশে তাপমাত্রা তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে, ফলে খাবারের স্বাদ ও গুণমান দীর্ঘসময় বজায় থাকে।
সবজি ও ফল আলাদা রাখুন
ফ্রিজের নিচের ড্রয়ার বা ক্রিস্পার বিন সবজি ও ফল রাখার জন্য তৈরি করা হয়। শাকসবজি ভেন্ট বন্ধ রেখে একটি ড্রয়ারে রাখুন। অন্যদিকে আপেল, নাশপাতি বা অন্যান্য ফল ভেন্ট খোলা রেখে অন্য ড্রয়ারে রাখলে সেগুলো দীর্ঘদিন ভালো থাকে। এতে ফল ও সবজির আর্দ্রতার ভারসাম্য ঠিক থাকে।
অপচয় কমানোর কৌশল
ফ্রিজে একটি আলাদা ঝুড়ি বা নির্দিষ্ট জায়গা রাখুন, যেখানে দ্রুত খেতে হবে এমন খাবারগুলো রাখবেন। এতে সহজেই নজরে পড়বে এবং খাবার নষ্ট হওয়ার আগেই ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া বাজারে যাওয়ার আগে ফ্রিজের ছবি তুলে রাখলে কোন জিনিস আছে আর কোনটি প্রয়োজন, তা সহজেই বোঝা যায়। নতুন খাবার সবসময় পুরোনো খাবারের পেছনে রাখুন, যাতে পুরোনোগুলো আগে ব্যবহার করা যায়। এভাবেই কমবে খাবারের অপচয় এবং ফ্রিজ থাকবে সবসময় পরিপাটি।
সূত্র: এনডিটিভি ফুড, দ্য স্প্রুস
- আরও পড়ুন:
ফ্রিজে পাউরুটি রাখলেই শক্ত হয়ে যায়? নরম রাখার সহজ উপায়
রান্নাঘরে খালি প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহারের উপায়
এসএকেওয়াই
What's Your Reaction?