বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ ভোটে কড়াকড়ি, যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
আসন্ন বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি এলাকায় যান চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্ধারিত সময়ের জন্য মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ইসির জারি করা এ সংক্রান্ত এক চিঠি থেকে বিষয়টি জানা যায়। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে ইসির পাঠানো চিঠি থেকে জানা যায়, আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ৮ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে ৯ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক, ট্যাক্সি ক্যাব ও প্রাইভেটকার চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া ৭ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে ১০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এতে আরও বলা হয়েছে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমোদিত পর্যবেক্ষক; জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী এবং সংবাদপত্র পরিবহনকারী যানবাহন; দূরপাল্লার যানবাহন; প্রার্থী ও এজেন্টের অনুমোদিত যানবাহন; সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ব্যবহৃত যানবাহন; নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী; বিটিআরসি
আসন্ন বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি এলাকায় যান চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্ধারিত সময়ের জন্য মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি ইসির জারি করা এ সংক্রান্ত এক চিঠি থেকে বিষয়টি জানা যায়।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে ইসির পাঠানো চিঠি থেকে জানা যায়, আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ৮ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে ৯ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক, ট্যাক্সি ক্যাব ও প্রাইভেটকার চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া ৭ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে ১০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমোদিত পর্যবেক্ষক; জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী এবং সংবাদপত্র পরিবহনকারী যানবাহন; দূরপাল্লার যানবাহন; প্রার্থী ও এজেন্টের অনুমোদিত যানবাহন; সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ব্যবহৃত যানবাহন; নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী; বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের যানবাহন—এসব ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ সড়কেও শিথিলতা দেওয়া যাবে।
এছাড়া স্থানীয় বাস্তবতায় অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিলের ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?