বগুড়ায় ২০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩৪ প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানোদের মধ্যে রয়েছেন মাহমুদুর রহমান মান্না। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে। বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোট পেতে হয়। নির্ধারিত এ হার অর্জনে ব্যর্থ হলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসাবে বগুড়ার সাতটি আসনে ২০ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্য-এর সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়ে জামানত হারান। একই আসনে জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণ অধিকার পরিষদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও নির্ধারিত ভোটের কম পাওয়ায় জামানত রক্ষা করতে পারেননি। এছাড়া জেলার বিভিন্ন আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি, এলডিপি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ),

বগুড়ায় ২০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩৪ প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানোদের মধ্যে রয়েছেন মাহমুদুর রহমান মান্না।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোট পেতে হয়। নির্ধারিত এ হার অর্জনে ব্যর্থ হলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

সেই হিসাবে বগুড়ার সাতটি আসনে ২০ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্য-এর সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়ে জামানত হারান। একই আসনে জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণ অধিকার পরিষদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও নির্ধারিত ভোটের কম পাওয়ায় জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

এছাড়া জেলার বিভিন্ন আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি, এলডিপি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণফোরাম ও মুসলিম লীগের প্রার্থীরাও একই পরিণতির মুখে পড়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মোট কাস্টিং ভোটের তুলনায় প্রাপ্ত ভোট ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী এসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow