‘বন্দে মাতরম’ দিয়ে শুরু করে বিজেপিকে বার্তা দিলেন থালাপতি বিজয়
তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়। তার দল তামিলগা ভেট্রি কাজাগামের জয়ের পর আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে হাজারো সমর্থকের উপস্থিতিতে ছিল তারকাখচিত আবহ। তবে অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল সূচনায় পুরো ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন। সাধারণত তামিলনাড়ুর সরকারি অনুষ্ঠান শুরু হয় রাজ্যের সরকারি গান ‘তামিল থাই ভাজ্থু’ দিয়ে। এবার সেই রীতিতে পরিবর্তন এনে প্রথমে ‘বন্দে মাতরম’, পরে জাতীয় সংগীত এবং তারপর ‘তামিল থাই ভাজ্থু’ গাওয়া হয়। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক নির্দেশনায় সরকারি ও আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’-এর পূর্ণ সংস্করণ বাজানো বাধ্যতামূলক করার পরিপ্রেক্ষিতে বিজয়ের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন অনেকে। শপথ অনুষ্ঠানে বিজয়ের পাশে ছিলেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি এর আগে কংগ্রেস আমলে ‘বন্দে মাতরম’-এর কিছু অংশ বাদ দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করেছিলেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বিজয়ের বার্তাটি বিশ্লেষণ করা হয়। তাতে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের ঐতিহাসিক মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী সুভ
তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়। তার দল তামিলগা ভেট্রি কাজাগামের জয়ের পর আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে হাজারো সমর্থকের উপস্থিতিতে ছিল তারকাখচিত আবহ।
তবে অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল সূচনায় পুরো ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন। সাধারণত তামিলনাড়ুর সরকারি অনুষ্ঠান শুরু হয় রাজ্যের সরকারি গান ‘তামিল থাই ভাজ্থু’ দিয়ে। এবার সেই রীতিতে পরিবর্তন এনে প্রথমে ‘বন্দে মাতরম’, পরে জাতীয় সংগীত এবং তারপর ‘তামিল থাই ভাজ্থু’ গাওয়া হয়।
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক নির্দেশনায় সরকারি ও আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’-এর পূর্ণ সংস্করণ বাজানো বাধ্যতামূলক করার পরিপ্রেক্ষিতে বিজয়ের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন অনেকে।
শপথ অনুষ্ঠানে বিজয়ের পাশে ছিলেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি এর আগে কংগ্রেস আমলে ‘বন্দে মাতরম’-এর কিছু অংশ বাদ দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করেছিলেন।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বিজয়ের বার্তাটি বিশ্লেষণ করা হয়। তাতে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের ঐতিহাসিক মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী সুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ পালন করা হয়নি। শনিবার অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সপ্তাহের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ‘জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ আইন’ সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এতে জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-কে বিশেষ সমমর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান আইনে জাতীয় পতাকা, সংবিধান অবমাননা বা জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ায় বাধা দেওয়ার শাস্তি হিসেবে কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুসারে ‘বন্দে মাতরম’ও এই আইনের আওতায় আনা হবে এবং নিয়ম লঙ্ঘনকে জ্ঞাত অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।
এই পদক্ষেপটি ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
What's Your Reaction?