‘বন্ধ হওয়া কলকারখানা পুনরায় চালুর বিষয়ে কাজ করছে সরকার’
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা পুনরায় চালুর বিষয়ে সরকার কাজ করছে। দেশের শিল্প খাতে, বিশেষ করে বন্ধ কলকারখানাগুলোতে বিনিয়োগের ব্যাপারে চীন সরকার ও বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সরকার এসব শিল্পকে সুশৃঙ্খল পর্যায়ে নিয়ে আসার কাজ করছে এবং শিগগিরই অগ্রগতির প্রতিবেদন জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সিলেট নগরীর লালবাজারস্থ আল-ফালাহ কমপ্লেক্সের ৪র্থ তলায় হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সর্বনিম্ন মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠান হলি বাজার পরিদর্শন এসে এসব কথা বলেন তিনি। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বিজ্ঞান গবেষণায় ব্যর্থতা বলে কিছু নেই। গবেষণার প্রতিটি ধাপই নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার জন্ম দেয়, যা ভবিষ্যতের উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেয়। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় আরও উৎসাহিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। মন্ত্রী বলেন, একটি দেশের অগ্রগতির মূল শক্তি হলো, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও গবেষণা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক জ্ঞানচর্চার উদ
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা পুনরায় চালুর বিষয়ে সরকার কাজ করছে। দেশের শিল্প খাতে, বিশেষ করে বন্ধ কলকারখানাগুলোতে বিনিয়োগের ব্যাপারে চীন সরকার ও বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সরকার এসব শিল্পকে সুশৃঙ্খল পর্যায়ে নিয়ে আসার কাজ করছে এবং শিগগিরই অগ্রগতির প্রতিবেদন জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।
শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সিলেট নগরীর লালবাজারস্থ আল-ফালাহ কমপ্লেক্সের ৪র্থ তলায় হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সর্বনিম্ন মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠান হলি বাজার পরিদর্শন এসে এসব কথা বলেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বিজ্ঞান গবেষণায় ব্যর্থতা বলে কিছু নেই। গবেষণার প্রতিটি ধাপই নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার জন্ম দেয়, যা ভবিষ্যতের উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেয়। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় আরও উৎসাহিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, একটি দেশের অগ্রগতির মূল শক্তি হলো, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও গবেষণা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক জ্ঞানচর্চার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবনই একটি দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। তিনি বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সাহস, উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীল মানসিকতার প্রশংসা করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের নানা সমস্যার সমাধান দেশীয় গবেষণা থেকেই আসতে হবে।
ডায়রিয়া প্রতিরোধে খাবার স্যালাইনের উদ্ভাবন কিংবা পেঁয়াজ ও আলু সংরক্ষণে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব উদ্ভাবন দেশের বাস্তব চাহিদা থেকেই এসেছে এবং এগুলোই গবেষণার সফল প্রয়োগ।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বিজ্ঞানচর্চা এবং বিজ্ঞান মেলার আয়োজন অব্যাহত থাকলে নতুন নতুন উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এসএম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আলিমুল ইসলাম, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি মো. আনোয়ারুল হক, মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী প্রমুখ।
What's Your Reaction?