বন্যাদুর্গতদের পাশে বিমানবাহিনী, চট্টগ্রাম ও মৌলভীবাজারে ত্রাণ বিতরণ
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চল ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় বন্যায় দুর্গত মানুষের মাঝে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আইএসপিআর জানানো হয়, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনের নির্দেশনায় চট্টগ্রামে অবস্থিত বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক থেকে জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে সাতকানিয়া উপজেলার দুর্গম এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়। সেখানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি ওষুধ তুলে দেওয়া হয়। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, বিমানবাহিনী স্টেশন শমশেরনগর থেকেও মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে শুকনো ও রান্না করা খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বন্যা পর
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চল ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় বন্যায় দুর্গত মানুষের মাঝে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর জানানো হয়, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনের নির্দেশনায় চট্টগ্রামে অবস্থিত বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক থেকে জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে সাতকানিয়া উপজেলার দুর্গম এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়। সেখানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি ওষুধ তুলে দেওয়া হয়।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, বিমানবাহিনী স্টেশন শমশেরনগর থেকেও মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে শুকনো ও রান্না করা খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিমানবাহিনীর মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি, যে কোনো জরুরি উদ্ধার অভিযানের জন্য বিমানবাহিনীর রেসকিউ টিম ও হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এরই মধ্যে বিমান বাহিনীর ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট সেল সক্রিয় করা হয়েছে, যা সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, দেশের জনগণের জানমাল রক্ষা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবে।
টিটি/এমকেআর
What's Your Reaction?