বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর

বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, কালভার্ট ও ঘরবাড়ি সংস্কারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, দেশের কোথাও যেন কোনো মানুষ না খেয়ে কষ্ট না পায়। সরকার প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছে এবং যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত খাদ্য ও আর্থিক মজুত রয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়া ও মাতামুহুরী নদী-সংলগ্ন এলাকার বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন ও বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, কালভার্ট ও ঘরবাড়ি সংস্কারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে। তিনি জানান, চকরিয়া উপজেলার জন্য ইতোমধ্যে সরকারিভাবে ১১৫ টন চাল এবং সাড়ে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন্যার কারণে সুপেয় পানির সংকট দেখা দেওয়ায়

বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর

বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, কালভার্ট ও ঘরবাড়ি সংস্কারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, দেশের কোথাও যেন কোনো মানুষ না খেয়ে কষ্ট না পায়। সরকার প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছে এবং যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত খাদ্য ও আর্থিক মজুত রয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়া ও মাতামুহুরী নদী-সংলগ্ন এলাকার বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন ও বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, কালভার্ট ও ঘরবাড়ি সংস্কারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে।

তিনি জানান, চকরিয়া উপজেলার জন্য ইতোমধ্যে সরকারিভাবে ১১৫ টন চাল এবং সাড়ে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন্যার কারণে সুপেয় পানির সংকট দেখা দেওয়ায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে হাজার হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হচ্ছে।

এর আগে তিনি চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের মণ্ডলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বহুমুখী আশ্রয়কেন্দ্র এবং আশপাশের প্লাবিত এলাকা ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা বানভাসি মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরিদর্শন শেষে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে চাল, শুকনো খাবার ও নগদ অর্থসহ জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সময় কক্সবাজার জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আজাদ রহমান, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দিলীপ দে, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মানিকসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, বন্যাদুর্গত এলাকার বাসিন্দারা প্রতিমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক সফর ও পুনর্বাসনের আশ্বাসকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow