বন্যায় আটকে পড়া বন্ধুর খোঁজে গিয়ে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর
কক্সবাজারের পেকুয়ায় বন্যায় আটকে পড়া এক বন্ধুর খোঁজ নিতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. মানিক উদ্দিন নাহিদ নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়কের সিকদারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মানিক উদ্দিন নাহিদ (২৫) টইটং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাইছড়ি নতুনপাড়া এলাকার মোক্তার আহমদের ছেলে। তিনি পেকুয়া জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় একটি ফার্মেসির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
নিহতের ছোট ভাই ওয়াহিদ বলেন, সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় আটকে পড়া এক বন্ধুর খোঁজখবর নিতে মঙ্গলবার রাতে পেকুয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে নন্দীরপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেন মানিক। পথে সিকদারপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বৃষ্টিতে পিচ্ছিল সড়কে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খালে পড়ে যান।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তার নাক ও কান দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয় এবং শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।
পরে
কক্সবাজারের পেকুয়ায় বন্যায় আটকে পড়া এক বন্ধুর খোঁজ নিতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. মানিক উদ্দিন নাহিদ নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়কের সিকদারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মানিক উদ্দিন নাহিদ (২৫) টইটং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাইছড়ি নতুনপাড়া এলাকার মোক্তার আহমদের ছেলে। তিনি পেকুয়া জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় একটি ফার্মেসির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
নিহতের ছোট ভাই ওয়াহিদ বলেন, সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় আটকে পড়া এক বন্ধুর খোঁজখবর নিতে মঙ্গলবার রাতে পেকুয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে নন্দীরপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেন মানিক। পথে সিকদারপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বৃষ্টিতে পিচ্ছিল সড়কে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খালে পড়ে যান।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তার নাক ও কান দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয় এবং শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়; কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।
নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পর এলাকায় শোকের আবহ নেমে আসে। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, ব্যবসায়ী মহল ও স্থানীয়রা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেন, বন্যায় আটকে পড়া এক বন্ধুর খোঁজ নিতে গিয়ে নিজের জীবন হারানো সত্যিই অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা।
এদিকে স্থানীয়রা সিকদারপাড়া এলাকাসহ ঝুঁকিপূর্ণ সড়কগুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন এবং বর্ষা মৌসুমে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।