বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা এক সপ্তাহ পেছানোর দাবি
দেশের বিভিন্ন জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে আয়োজন না করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ।
সংগঠনটির দাবি, বন্যা-কবলিত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, সমান অংশগ্রহণের সুযোগ এবং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় অন্তত এক সপ্তাহের জন্য পরীক্ষা স্থগিত করা উচিত।
সোমবার (১৩ জুলাই) সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মোহাম্মাদ আলী তোহার পাঠানো এক বার্তায় এই আহ্বান জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ভয়াবহ বন্যা দেশের সার্বিক জনজীবনকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করেছে। লাখো মানুষ পানিবন্দি, অসংখ্য পরিবার গৃহহীন এবং বহু এলাকায় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং অধিকাংশ অঞ্চলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত স্থবির হয়ে গেছে। সারাদেশে এখন পর্যন্ত ভয়াবহ বন্যায় ৫১ জন প্রাণ হারিয়েছে, ৭ জেলায় ১০ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছে।
এমন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে দেশের হাজার হাজার পরীক্ষার্থী চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছ
দেশের বিভিন্ন জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে আয়োজন না করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ।
সংগঠনটির দাবি, বন্যা-কবলিত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, সমান অংশগ্রহণের সুযোগ এবং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় অন্তত এক সপ্তাহের জন্য পরীক্ষা স্থগিত করা উচিত।
সোমবার (১৩ জুলাই) সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মোহাম্মাদ আলী তোহার পাঠানো এক বার্তায় এই আহ্বান জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ভয়াবহ বন্যা দেশের সার্বিক জনজীবনকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করেছে। লাখো মানুষ পানিবন্দি, অসংখ্য পরিবার গৃহহীন এবং বহু এলাকায় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং অধিকাংশ অঞ্চলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত স্থবির হয়ে গেছে। সারাদেশে এখন পর্যন্ত ভয়াবহ বন্যায় ৫১ জন প্রাণ হারিয়েছে, ৭ জেলায় ১০ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছে।
এমন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে দেশের হাজার হাজার পরীক্ষার্থী চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে বন্যা-কবলিত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নিরাপদে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারছে না।
অনেক পরীক্ষার্থী ও তাদের পরিবার বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে। আবার অনেকের বই-খাতা, শিক্ষা উপকরণ এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রও বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ মনে করে, দেশের সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের বাস্তবতা উপেক্ষা করে পরীক্ষা গ্রহণ করলে তা শিক্ষার মৌলিক ন্যায়বিচার ও সমঅধিকারের পরিপন্থী হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বৈষম্যের শিকার না হয়, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এমতাবস্থায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ হক সারাদেশের বন্যা-কবলিত মানুষের প্রতি সহমর্মিতা এবং পরীক্ষার্থীদের অসুবিধা বিবেচনা করে চলমান পরীক্ষা এক সপ্তাহ পেছানোর দাবি জানান।
বার্তায় সংগঠনটি জানায়, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি জোর দাবি জানানো হচ্ছে যে, দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং সমান অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা অন্তত এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হোক। একই সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর সংশোধিত পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্র অধিকার পরিষদ বিশ্বাস করে, শিক্ষার্থীদের জীবন, নিরাপত্তা ও শিক্ষার অধিকারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার একটি মানবিক, দায়িত্বশীল ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। দেশের এই সংকটময় সময়ে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সব ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।