বাংলাদেশ ফুটবলে যত বিদেশি কোচ
১৯৭৮ সালে জার্মানির ওয়ার্নার বেকেলহপটকে প্রথম জাতীয় ফুটবল দলের কোচ নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সেই নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে বিদেশি কোচের যাত্রা শুরু হয়। এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতির জন্য তখন নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল তাকে। এরপর প্রায় পাঁচ দশকে অনেক বিদেশি কোচ এসেছেন। কেউ সাফল্য এনেছেন, কেউ রেখে গেছেন হতাশার ছাপ। জার্মান কোচ অটো ফিস্টার বাংলাদেশকে প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রফি জিতিয়েছিলেন। তার নেতৃত্বে এসেছিল মিয়ানমারের চার জাতি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। ১৯৯৯ সালে ইরাকি কোচ সামির শাকিরের অধীনে দক্ষিণ এশীয় গেমসে (এসএ) স্বর্ণ জয় করে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ দল। সবচেয়ে বড় অর্জন আসে ২০০৩ সালে অস্ট্রিয়ান কোচ জর্জ কোটানের হাত ধরে। সেবার ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর আর বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হতে পারেনি। ২০১০ সালে সার্বিয়ান কোচ জোরান দর্দেভিচের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ফিরে পেয়েছিল দক্ষিণ এশীয় গেমসের স্বর্ণ। তবে সামির শাকিরের হাত ধরে ১৯৯৯ সালে জেতা স্বর্ণ ছিল বাংলাদেশের ফুটবলের একটি মাইলফলক। ইংরেজ কোচ জেমি ডে ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের দায়
১৯৭৮ সালে জার্মানির ওয়ার্নার বেকেলহপটকে প্রথম জাতীয় ফুটবল দলের কোচ নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সেই নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে বিদেশি কোচের যাত্রা শুরু হয়। এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতির জন্য তখন নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল তাকে। এরপর প্রায় পাঁচ দশকে অনেক বিদেশি কোচ এসেছেন। কেউ সাফল্য এনেছেন, কেউ রেখে গেছেন হতাশার ছাপ।
জার্মান কোচ অটো ফিস্টার বাংলাদেশকে প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রফি জিতিয়েছিলেন। তার নেতৃত্বে এসেছিল মিয়ানমারের চার জাতি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। ১৯৯৯ সালে ইরাকি কোচ সামির শাকিরের অধীনে দক্ষিণ এশীয় গেমসে (এসএ) স্বর্ণ জয় করে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ দল।
সবচেয়ে বড় অর্জন আসে ২০০৩ সালে অস্ট্রিয়ান কোচ জর্জ কোটানের হাত ধরে। সেবার ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর আর বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হতে পারেনি। ২০১০ সালে সার্বিয়ান কোচ জোরান দর্দেভিচের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ফিরে পেয়েছিল দক্ষিণ এশীয় গেমসের স্বর্ণ। তবে সামির শাকিরের হাত ধরে ১৯৯৯ সালে জেতা স্বর্ণ ছিল বাংলাদেশের ফুটবলের একটি মাইলফলক।
ইংরেজ কোচ জেমি ডে ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার অধীনেই সবচেয়ে বেশি জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। সবচেয়ে বেশি জয় পাওয়া বিদেশি কোচ হিসেবে তার নাম এখনো স্মরণীয়। জেমি ডের কোচিংয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমস ফুটবলে গ্রুপ পর্ব টপকে নকআউট পর্বে উঠেছিল। স্প্যানিশ হ্যাভিয়ের কাবরেরা বাংলাদেশের দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব সামলানো কোচ। তাঁর অধীনে ২০২৩ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সেমিফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ।
নতুন দায়িত্ব নেওয়া কোচ থমাস ডুলি ফিলিপাইন ও গায়ানা জাতীয় দলে কাজ করেছেন। সর্বশেষ ছিল গায়ানায়। আগামী ৫ জুন সান মারিনোতে প্রথমবার বাংলাদেশ জাতীয় দলের ডাগআউটে দাঁড়া্নে জার্মানি বংশোদ্ভূত এই আমেরিকান।
এক নজরে বাংলাদেশের ফুটবলে বিদেশি কোচ
|
নাম |
দেশ
|
সময়কাল |
|
ওয়ার্নার বেকেলহপট |
জার্মানি |
১৯৭৮ |
|
গার্ড স্মিথ
|
জার্মানি |
১৯৮২ |
|
নাসের হেজাজি |
ইরান |
১৯৮৯
|
|
ওল্ডরিখ সোয়াব
|
সুইজারল্যান্ড |
১৯৯৩ |
|
ক্যাং ইয়াং ম্যান |
দক্ষিণ কোরিয়া
|
১৯৯৫ |
|
অটো ফিস্টার |
জার্মানি |
১৯৯৫-৯৭
|
|
সামির শাকির |
ইরাক |
১৯৯৮-৯৯
|
|
মার্ক হ্যারিসন |
ইংল্যান্ড |
২০০০
|
|
জর্জ কোটান |
অস্ট্রিয়া
|
২০০০-০৩ |
|
আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানি
|
আর্জেন্টিনা |
২০০৫-০৬ |
|
সৈয়দ নাইমুদ্দিন |
ভারত |
২০০৭-০৮
|
|
এডসন সিলভা ডিডো |
ব্রাজিল |
২০০৮-০৯
|
|
জোরান দর্দেভিচ |
সাবিয়া
|
২০১০
|
|
রবার্ক রুবচিচ |
ক্রোয়েশিয়া |
২০১০-১১
|
|
নিকোলা ইলিয়েভস্কি
|
মেসেডনিয়া |
২০১১ |
|
লোডভিক ডি ক্রুইফ |
নেদারল্যান্ডস |
২০১৩-১৬
|
|
ফ্যাবিও লোপেজ
|
ইতালি |
২০১৫ |
|
টম সেইন্টফিট |
বেলজিয়াম
|
২০১৬ |
|
এন্ডু ওর্ড
|
ইংল্যান্ড |
২০১৭-১৮ |
|
জেমি ডে
|
ইংল্যান্ড |
২০১৮-২২ |
|
অস্কার ব্রুজন
|
স্পেন |
২০২১ |
|
মারিও লেমস
|
পর্তুগাল |
২০২১ |
|
হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা |
স্পেন
|
২০২২-২৬ |
|
থমাস ডলি |
যুক্তরাষ্ট্র |
২০২৬
|
আরআই/আইএন/জেআইএম
What's Your Reaction?