বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কড়া মন্তব্য
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেছেন, যারা ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে এসেছেন, কিন্তু নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ-এর) আওতায় পড়েন না, তারা পুরোপুরি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী।
তিনি বলেন, তাদের সরাসরি রাজ্য পুলিশ গ্রেপ্তার করবে এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ-এর) হাতে তুলে দেবে। বিএসএফ বিডিআরের সঙ্গে কথা বলে তাদের ডিপোর্ট করার ব্যবস্থা করবে। অর্থাৎ ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সেটির পুরোনো নাম বিডিআর বলেই উল্লেখ করেন অধিকারী।
এ সময় তিনি বলেন, বিএসএফ-এর সঙ্গে সুদৃঢ় বন্ধন তৈরি করে আমরা রাজ্য এবং দেশকে সুরক্ষিত করব। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের ১৪ মে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল। আমাদের আগের সরকার এক দিকে শরণার্থীদের সিএএ (সুরক্ষা) দেওয়ার বিরোধিতা করেছে। অন্য দিকে, এই গুরুত্বপূর্ণ আইনকে কাজে লাগায়নি। আজ থেকে এই আইন আমরা কার্যকর করলাম।
সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়া সম্পর্কে শুভেন্দু বলেন, আমাদের রাজ্যে ২২০০ কিলোমিটারের মধ্যে ১৬০০ কিলোমিটার কাঁটাতার রয়েছে। আমাদের সীমান্
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেছেন, যারা ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে এসেছেন, কিন্তু নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ-এর) আওতায় পড়েন না, তারা পুরোপুরি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী।
তিনি বলেন, তাদের সরাসরি রাজ্য পুলিশ গ্রেপ্তার করবে এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ-এর) হাতে তুলে দেবে। বিএসএফ বিডিআরের সঙ্গে কথা বলে তাদের ডিপোর্ট করার ব্যবস্থা করবে। অর্থাৎ ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সেটির পুরোনো নাম বিডিআর বলেই উল্লেখ করেন অধিকারী।
এ সময় তিনি বলেন, বিএসএফ-এর সঙ্গে সুদৃঢ় বন্ধন তৈরি করে আমরা রাজ্য এবং দেশকে সুরক্ষিত করব। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের ১৪ মে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল। আমাদের আগের সরকার এক দিকে শরণার্থীদের সিএএ (সুরক্ষা) দেওয়ার বিরোধিতা করেছে। অন্য দিকে, এই গুরুত্বপূর্ণ আইনকে কাজে লাগায়নি। আজ থেকে এই আইন আমরা কার্যকর করলাম।
সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়া সম্পর্কে শুভেন্দু বলেন, আমাদের রাজ্যে ২২০০ কিলোমিটারের মধ্যে ১৬০০ কিলোমিটার কাঁটাতার রয়েছে। আমাদের সীমান্তে যে কাঁটাতার সম্পূর্ণ আমরা করতে পারিনি। আমরা বর্তমান সরকার আসার পর দ্রুততার সঙ্গে এই জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছি। আজকে এর সূচনা লগ্নে আমরা ২৭ কি.মি এলাকাকে সুরক্ষিত করার প্রয়োজনীয় জমি, সরকারি এবং প্রাইভেট জমি বিএসএফ এবং ভারত সরকারকে দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি পশ্চিমবাংলার দেশপ্রেমিক জনগণ এবং আমাদের অত্যন্ত দক্ষ আধিকারিকরা আগামী কিছুদিনের মধ্যে এই জমিতে যেখানে যেখানে সীমান্ত সুরক্ষার প্রশ্নে কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব, তারা তা দিবে।
উল্লেখ্য, ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে যে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ ২০২৪ সালের ৩১শে ডিসেম্বরের আগে ভারতে এসেছেন তারা ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারবেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ এই আইনের আওতায় পড়েন না।
সূত্র : বিবিসি বাংলা ও আনন্দবাজার পত্রিকা