বাংলাদেশিসহ সব দেশের অভিবাসীদের জন্য সুখবর দিলো ইউরোপের দেশ

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে বৈধতা পাওয়া অভিবাসীদের চাকরির সঙ্গে যুক্ত করার নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে স্পেন। দেশটির সরকার প্রায় পাঁচ লাখ অনথিভুক্ত শ্রমিককে বৈধ মর্যাদা দেয়ার কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। এমনটি হলে বাংলাদেশিসহ দেশটিতে থাকা সব দেশের লাখ লাখ অভিবাসী এ সুযোগ পাবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পেনের শীর্ষ অভিবাসন কর্মকর্তা পিলার ক্যানসেলা জানান, বৈধতা পাওয়া অভিবাসীদের দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন খাতে চাকরির সুযোগ তৈরি করা হবে। সরকার মনে করছে, ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনসংখ্যার কারণে শ্রমশক্তির ঘাটতি মোকাবিলায় অভিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঘোষিত এই কর্মসূচি স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কট্টর ডানপন্থি নেতাদের সমালোচনার মুখে পড়ে। তবে সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বাধীন স্প্যানিশ জোট সরকার বলছে, অভিবাসন দেশের অর্থনীতিকে ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় এগিয়ে রাখতে সহায়তা করবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালনায় বিভিন্ন এনজিও ও বিশেষায়িত অফিস প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, সম্ভাব্য পাঁচ লাখ আবেদনকারীর দ্

বাংলাদেশিসহ সব দেশের অভিবাসীদের জন্য সুখবর দিলো ইউরোপের দেশ

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে বৈধতা পাওয়া অভিবাসীদের চাকরির সঙ্গে যুক্ত করার নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে স্পেন। দেশটির সরকার প্রায় পাঁচ লাখ অনথিভুক্ত শ্রমিককে বৈধ মর্যাদা দেয়ার কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। এমনটি হলে বাংলাদেশিসহ দেশটিতে থাকা সব দেশের লাখ লাখ অভিবাসী এ সুযোগ পাবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পেনের শীর্ষ অভিবাসন কর্মকর্তা পিলার ক্যানসেলা জানান, বৈধতা পাওয়া অভিবাসীদের দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন খাতে চাকরির সুযোগ তৈরি করা হবে। সরকার মনে করছে, ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনসংখ্যার কারণে শ্রমশক্তির ঘাটতি মোকাবিলায় অভিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঘোষিত এই কর্মসূচি স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কট্টর ডানপন্থি নেতাদের সমালোচনার মুখে পড়ে। তবে সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বাধীন স্প্যানিশ জোট সরকার বলছে, অভিবাসন দেশের অর্থনীতিকে ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় এগিয়ে রাখতে সহায়তা করবে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালনায় বিভিন্ন এনজিও ও বিশেষায়িত অফিস প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, সম্ভাব্য পাঁচ লাখ আবেদনকারীর দ্বিগুণ অর্থাৎ প্রায় ১০ লাখ আবেদন সামাল দেয়ার সক্ষমতা তাদের রয়েছে।

স্পেনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফুনকাসের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার অনথিভুক্ত অভিবাসী অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছেন। এদের বেশিরভাগই লাতিন আমেরিকা থেকে আসা।

সরকারের নতুন কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্য হচ্ছে অনানুষ্ঠানিক খাত থেকে হাজারো শ্রমিককে আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে নিয়ে আসা এবং নির্মাণ, পর্যটন, পরিবহন ও সেবাখাতে শ্রমিক সংকট কমানো। পিলার ক্যানসেলা বলেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন, তাদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর এটি একটি বড় সুযোগ।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অস্থায়ী কাজের অনুমতি পাওয়া অভিবাসীদের নিয়ে একটি স্বেচ্ছামূলক জরিপ চালাবে দেশটির অভিবাসন মন্ত্রণালয়। এতে তাদের দক্ষতা ও কোন খাতে কাজ করতে আগ্রহী, সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। একই সঙ্গে নির্মাণ, পর্যটন, পরিবহন ও পরিচর্যা খাতের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে শ্রমবাজারের চাহিদা নির্ধারণ করা হবে এবং বৈধতা পাওয়া অভিবাসীদের চাকরির সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow