বাকৃবিতে আবারও দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৪
এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মেসেঞ্জারে একটি মিম পোস্টকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তবে আহতদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়। শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের (ব্যাচ-৬৫) শিক্ষার্থীদের মেসেঞ্জার গ্রুপে একটি মিম পোস্টকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত। কৃষি অনুষদের সেকশন ‘এ’-এর ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ (সিআর) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মিমটি পোস্ট করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। পরে এক শিক্ষার্থী ওই পোস্টের প্রতিবাদ জানিয়ে অফিসিয়াল গ্রুপে এ ধরনের পোস্ট না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে পাঠানোর পরামর্শ দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মেসেঞ্জারে একটি মিম পোস্টকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তবে আহতদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়।
শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের (ব্যাচ-৬৫) শিক্ষার্থীদের মেসেঞ্জার গ্রুপে একটি মিম পোস্টকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত। কৃষি অনুষদের সেকশন ‘এ’-এর ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ (সিআর) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মিমটি পোস্ট করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
পরে এক শিক্ষার্থী ওই পোস্টের প্রতিবাদ জানিয়ে অফিসিয়াল গ্রুপে এ ধরনের পোস্ট না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে পাঠানোর পরামর্শ দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে অনলাইনের বিরোধ আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে মাওলানা ভাসানী হলের একদল শিক্ষার্থী সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দেন। পরে সোহরাওয়ার্দী হলের একদল শিক্ষার্থী ভাসানী হলে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। এতে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের মধ্যে একজনের মাথায় আঘাত লাগে। অন্যরা হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছেন। আহতদের সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টার থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আমিনুল মতিন বলেন, মোট তিন থেকে চারজন আহত হয়েছেন। তারা সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। কাউকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রয়োজন হয়নি। আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই মাওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থী। সোহরাওয়ার্দী হলের আহতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মাহবুবুল প্রতীক সিদ্দিক বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার পর সবাই নিজ নিজ হলে ফিরে গেছে। রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, এক হলের শিক্ষার্থীরা অন্য হলে গিয়ে ভাঙচুর করেছে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
প্রক্টরিয়াল বডি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই পক্ষকে শান্ত করেন। পরে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ হলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর ক্যাম্পাসে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এক সপ্তাহ আগেও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যেই আবারও দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
What's Your Reaction?