বাড়ির কাজ দেখতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী খুন, বালুর নিচে মিলল মরদেহ

ফেনীর সদরে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা করে নির্মাণাধীন বাড়ির বালুর নিচে পুঁতে রাখার ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।  মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহত শিরিন আক্তার স্থানীয় বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মো. মানিক মিয়ার স্ত্রী। তাদের ২ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। মানিক মিয়া বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে পরিবারটি মোহাম্মদ আলী বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিল। সম্প্রতি তারা পাশের জমিতে নতুন বাড়ির নির্মাণকাজ শুরু করেন। মঙ্গলবার বিকেলে শিরিন আক্তার নির্মাণাধীন বাড়ির কাজ দেখতে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে বালুর নিচে মরদেহ গুম করার চেষ্টা করে। জানা যায়, ওই প্রবাসীর স্ত্রী মঙ্গলবার বিকেলে কাজ দেখতে নির্মাণাধীন বাড়িতে গেলে তাকে হত্যা করে বালুর নিচে তার মরদেহ পুঁতে রাখা হয়।  নিহতের ছেলে রাজু জানান, বিকেল থেকে মাকে খুঁজে না পেয়ে তিনি নির্মাণাধীন বাড়িতে যান। সেখানে সাইফ

বাড়ির কাজ দেখতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী খুন, বালুর নিচে মিলল মরদেহ
ফেনীর সদরে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা করে নির্মাণাধীন বাড়ির বালুর নিচে পুঁতে রাখার ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।  মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহত শিরিন আক্তার স্থানীয় বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মো. মানিক মিয়ার স্ত্রী। তাদের ২ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। মানিক মিয়া বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে পরিবারটি মোহাম্মদ আলী বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিল। সম্প্রতি তারা পাশের জমিতে নতুন বাড়ির নির্মাণকাজ শুরু করেন। মঙ্গলবার বিকেলে শিরিন আক্তার নির্মাণাধীন বাড়ির কাজ দেখতে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে বালুর নিচে মরদেহ গুম করার চেষ্টা করে। জানা যায়, ওই প্রবাসীর স্ত্রী মঙ্গলবার বিকেলে কাজ দেখতে নির্মাণাধীন বাড়িতে গেলে তাকে হত্যা করে বালুর নিচে তার মরদেহ পুঁতে রাখা হয়।  নিহতের ছেলে রাজু জানান, বিকেল থেকে মাকে খুঁজে না পেয়ে তিনি নির্মাণাধীন বাড়িতে যান। সেখানে সাইফুল নামের এক নির্মাণশ্রমিককে কাজ করতে দেখে মায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। পরে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে বালুর নিচে শিরিন আক্তারের মরদেহ দেখতে পান তারা। ঘটনার পর থেকেই নির্মাণশ্রমিক সাইফুল পলাতক রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত থাকতে পারেন। ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফৌজুল কবীর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow